মমতার প্রশংসা করে দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন লক্ষ্মণ
এই সময়: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে এবং দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণের সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রেখে ভোটের মুখে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের উপর চাপ বাড়ালেন লক্ষ্মণ শেঠ৷
একইসঙ্গে নাম না-করে ফের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও বিমান বসুকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর দাবিও তুলেছেন তিনি৷ বুধবার লক্ষ্মণবাবু জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি দল ছাড়ছেনই৷ ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেল, কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির বৈঠকে তাঁর অনুগামীরা প্রবল আধিপত্য দেখানোর পর লক্ষ্মণ শেঠের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে৷ বুধবার ভারপ্রাপ্ত জেলা সম্পাদক প্রশান্ত প্রধানের দৌত্যেও বরফ গলল না৷ মমতার প্রশংসা করায় সিপিএমের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি লক্ষ্মণবাবু তৃণমূলে ভিড়ছেন?
এদিন কলকাতায় হরিশ মুখার্জি রোডে লক্ষ্মণ শেঠের ফ্ল্যাটে দু'ঘণ্টার বেশি বৈঠক করেও বিদ্রোহী নেতাকে সদস্যপদ পুনর্নবীকরণে রাজি করাতে পারেননি সিপিএমের দুই নেতা প্রশান্ত প্রধান ও প্রশান্ত পাত্র৷ লক্ষ্মণবাবু ও তাঁর অনুগামীদের মনোভাব আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে জানিয়েও দিয়েছেন দুই নেতা৷ সিপিএমের গঠনতন্ত্র অনুসারে, ৩১ মার্চের মধ্যে সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করাতে হয়৷ লক্ষ্মণবাবু অনড় থাকায় সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব কী কৌশল নেন, তা এখন দেখার বিষয়৷ যদিও দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম দেবের বক্তব্যে স্পষ্ট, সিপিএম নেতৃত্ব লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে তদন্ত থেকে পিছু হঠতে রাজি নন৷ তাঁর কথায়, 'তাঁকে এবং আরও অনেককে জড়িয়ে ভালো কাজের জন্য একটি সংস্থা তৈরি হয়েছিল৷ সেই সম্পত্তি হঠাত্ বিক্রি করে দেওয়া হল৷ পার্টি জানতে চাইবে না, কী হয়েছে?'
দলের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু জানিয়েছেন, ব্যক্তি লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হচ্ছে না৷ এদিন গৌতম দেব একই দাবি করে বলেন, 'লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে বলে লেখা রয়েছে, এমন কোনও কাগজ পারলে উনি দেখান৷' লক্ষ্মণ শেঠ দলের নেতৃত্ব বদলের যে দাবি করেছেন, সে সম্পর্কে গৌতমবাবুর পাল্টা বক্তব্য, 'উনি তো নিজেই এই নেতৃত্বের অংশ ছিলেন৷ নিজে পূর্ব মেদিনীপুরের এক নম্বর নেতা ছিলেন, বন্দর তো উনি চালাতেন৷' যদিও লক্ষ্মণের পাল্টা যুক্তি, 'কোনও বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত করার এক্তিয়ার সিপিএমের নেই৷ একমাত্র সিপিএমের সঙ্গে জড়িত কারও বিরুদ্ধে দল তদন্ত করতে পারে৷'
http://eisamay.indiatimes.com/-/lakhsman-seth-speaks-about-mamata/articleshow/32736932.cms
এই সময়: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে এবং দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণের সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রেখে ভোটের মুখে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের উপর চাপ বাড়ালেন লক্ষ্মণ শেঠ৷
একইসঙ্গে নাম না-করে ফের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও বিমান বসুকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর দাবিও তুলেছেন তিনি৷ বুধবার লক্ষ্মণবাবু জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি দল ছাড়ছেনই৷ ফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেল, কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির বৈঠকে তাঁর অনুগামীরা প্রবল আধিপত্য দেখানোর পর লক্ষ্মণ শেঠের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে৷ বুধবার ভারপ্রাপ্ত জেলা সম্পাদক প্রশান্ত প্রধানের দৌত্যেও বরফ গলল না৷ মমতার প্রশংসা করায় সিপিএমের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি লক্ষ্মণবাবু তৃণমূলে ভিড়ছেন?
এদিন কলকাতায় হরিশ মুখার্জি রোডে লক্ষ্মণ শেঠের ফ্ল্যাটে দু'ঘণ্টার বেশি বৈঠক করেও বিদ্রোহী নেতাকে সদস্যপদ পুনর্নবীকরণে রাজি করাতে পারেননি সিপিএমের দুই নেতা প্রশান্ত প্রধান ও প্রশান্ত পাত্র৷ লক্ষ্মণবাবু ও তাঁর অনুগামীদের মনোভাব আলিমুদ্দিন স্ট্রিটকে জানিয়েও দিয়েছেন দুই নেতা৷ সিপিএমের গঠনতন্ত্র অনুসারে, ৩১ মার্চের মধ্যে সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করাতে হয়৷ লক্ষ্মণবাবু অনড় থাকায় সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব কী কৌশল নেন, তা এখন দেখার বিষয়৷ যদিও দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য গৌতম দেবের বক্তব্যে স্পষ্ট, সিপিএম নেতৃত্ব লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে তদন্ত থেকে পিছু হঠতে রাজি নন৷ তাঁর কথায়, 'তাঁকে এবং আরও অনেককে জড়িয়ে ভালো কাজের জন্য একটি সংস্থা তৈরি হয়েছিল৷ সেই সম্পত্তি হঠাত্ বিক্রি করে দেওয়া হল৷ পার্টি জানতে চাইবে না, কী হয়েছে?'
দলের রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু জানিয়েছেন, ব্যক্তি লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হচ্ছে না৷ এদিন গৌতম দেব একই দাবি করে বলেন, 'লক্ষ্মণ শেঠের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে বলে লেখা রয়েছে, এমন কোনও কাগজ পারলে উনি দেখান৷' লক্ষ্মণ শেঠ দলের নেতৃত্ব বদলের যে দাবি করেছেন, সে সম্পর্কে গৌতমবাবুর পাল্টা বক্তব্য, 'উনি তো নিজেই এই নেতৃত্বের অংশ ছিলেন৷ নিজে পূর্ব মেদিনীপুরের এক নম্বর নেতা ছিলেন, বন্দর তো উনি চালাতেন৷' যদিও লক্ষ্মণের পাল্টা যুক্তি, 'কোনও বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত করার এক্তিয়ার সিপিএমের নেই৷ একমাত্র সিপিএমের সঙ্গে জড়িত কারও বিরুদ্ধে দল তদন্ত করতে পারে৷'
http://eisamay.indiatimes.com/-/lakhsman-seth-speaks-about-mamata/articleshow/32736932.cms
No comments:
Post a Comment