অসুখী হয়ে উঠছে গাজার শিশুরা
নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2014-08-08 19:49:57.0 BdST Updated: 2014-08-08 19:49:57.0 BdST
ইসরায়েলি হামলার ধ্বংসলীলা দেখে অসুখী হয়ে উঠছে গাজার শিশুরা। যন্ত্রণাদগ্ধ হচ্ছে কচি হৃদয়। আতঙ্ক আর দুঃস্বপ্ন তাড়া করে ফিরছে তাদের।
এসব সিশুদের মানসিক সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।
গত একমাসে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও গোলা হামলায় অন্তত ৪২৯ জন নিহত হয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা ১৮ লাখ বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
ফিলিস্তিনে ইউনিসেফের প্রতিনিধি জুন কানুগি সংগঠনটির ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “গাজায় শেষ তিনটা সংঘর্ষের মধ্যে গত এক মাসেই সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। এ ধ্বংসযজ্ঞে জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না”।
তিনি আরো বলেন, “এ ধ্বংসলীলার কারণে শিশুদের মানসিক-শারিরীক ক্ষত সারানো এবং গাজার ধসে পড়া অবকাঠামো পুনর্গঠন করা খুবই দুরূহ কাজ”।
ইউনিসেফের হিসাবমতে, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৭৪৪ শিশু। হামলায় গুরুতর আহত অনেক শিশুরই কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা গাজায় নেই।
তাছাড়া, জাতিসংঘ পরিচালিত যেসব স্কুলের আশ্রয়শিবিরে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে সেখানেও পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা মেটানোর ব্যবস্থা অপ্রতুল। শিশুদের মধ্যে ডাইরিয়া ও অন্যান্য রোগ সংক্রমণ বাড়ছে।
গত একমাসে গাজায় ইসরায়েলের বিমান ও গোলা হামলায় অন্তত ৪২৯ জন নিহত হয়েছে, যেখানে ১৮ বছরের কম বয়সীদের সংখ্যা ১৮ লাখ বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
ফিলিস্তিনে ইউনিসেফের প্রতিনিধি জুন কানুগি সংগঠনটির ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “গাজায় শেষ তিনটা সংঘর্ষের মধ্যে গত এক মাসেই সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। এ ধ্বংসযজ্ঞে জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা যায় না”।
তিনি আরো বলেন, “এ ধ্বংসলীলার কারণে শিশুদের মানসিক-শারিরীক ক্ষত সারানো এবং গাজার ধসে পড়া অবকাঠামো পুনর্গঠন করা খুবই দুরূহ কাজ”।
ইউনিসেফের হিসাবমতে, গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আহত হয়েছে অন্তত ২ হাজার ৭৪৪ শিশু। হামলায় গুরুতর আহত অনেক শিশুরই কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা গাজায় নেই।
তাছাড়া, জাতিসংঘ পরিচালিত যেসব স্কুলের আশ্রয়শিবিরে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে সেখানেও পরিবারগুলোর মৌলিক চাহিদা মেটানোর ব্যবস্থা অপ্রতুল। শিশুদের মধ্যে ডাইরিয়া ও অন্যান্য রোগ সংক্রমণ বাড়ছে।


No comments:
Post a Comment