এগিয়ে আ.লীগ
উপজেলা নির্বাচনের ফল
চতুর্থ ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পাওয়া ৪৫টি উপজেলার সর্বশেষ ফলাফল অনুযায়ী তাঁরা ২৯টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
একই পদে বিএনপি-সমর্থিত আটজন, জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত তিনজন, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) সমর্থিত একজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) সমর্থিত একজন, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) (সন্তু লারমা) সমর্থিত একজন জয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের একজন বিদ্রোহী ও বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত একজন বিজয়ী হয়েছেন।
আজ রোববার দেশের ৪৩টি জেলার ৯১টি উপজেলায় নির্বাচন হয়। তিন দফায় দেশের ২৯১টি উপজেলায় নির্বাচন হয়। এতে চেয়ারম্যান পদে ১১৯টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ, ১১৮টিতে বিএনপি, ২৮টিতে জামায়াতে ইসলামী ও দুটি উপজেলায় জাতীয় পার্টির-সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হন। ২৪টি উপজেলায় নির্বাচিত হন অন্যান্য দল-সমর্থিত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা।
চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন:
দিনাজপুর: বোচাগঞ্জে আওয়ামী লীগের ফরহাদ হাসান চৌধুরী ও ফুলবাড়ীতে বিএনপির খুরশিদ আলম।
জয়পুরহাট: পাঁচবিবিতে জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান।
রাজশাহী: বাগমারায় আওয়ামী লীগের জাকিরুল ইসলাম।
সিরাজগঞ্জ: চৌহালীতে বিএনপির মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।
পাবনা: ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের খলিলুর রহমান সরকার।
কুষ্টিয়া: দৌলতপুরে আওয়ামী লীগের ফিরোজ আল মামুন।
চুয়াডাঙ্গা: জীবননগরে আওয়ামী লীগের আবু মোহাম্মদ আবদুল লতিফ।
ঝিনাইদহ: হরিণাকুণ্ডুতে বিএনপির এম এ মজিদ।
খুলনা: ফুলতলায় শেখ আকরাম হোসেন, তেরখাদায় সরফুদ্দিন বিশ্বাস, রূপসায় এস এম কামাল উদ্দিন, বটিয়াঘাটায় আশরাফুল আলম খান ও দাকোপে শেখ আবুল হোসেন। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী।
সাতক্ষীরা: কলারোয়ায় আওয়ামী লীগের ফিরোজ আহমেদ।
বরগুনা: বেতাগীতে বিএনপির শাহজাহান কবীর।
পটুয়াখালী: মির্জাগঞ্জে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবু বকর মো. সিদ্দিক।
ভোলা: তজুমদ্দিনে অহিদ উল্যাহ, মনপুরায় সেলিনা আক্তার চৌধুরী ও দৌলতখানে মনজুর আলম খান। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী।
ঝালকাঠি: সদরে মো. সুলতান হোসেন খান, কাঁঠালিয়ায় ফারুক শিকদার, রাজাপুরে মনিরুজ্জামান ও নলছিটিতে মো. ইউনুস লস্কর। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী।
পিরোজপুর: সদরে আওয়ামী লীগের মজিবর রহমান, জিয়ানগরে জামায়াতের মাসুদ বিন সাঈদী, ভান্ডারিয়ায় জাতীয় পার্টির (জেপি) আতিকুল ইসলাম ও মঠবাড়িয়ায় আওয়ামী লীগের মো. আশরাফুর রহমান।
শেরপুর: নালিতাবাড়ীতে বিএনপির এ কে এম মোখলেছুর রহমান।
নেত্রকোনা: মদনে বিএনপির এম এ হারেছ।
কিশোরগঞ্জ: ইটনায় আওয়ামী লীগের মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, কটিয়াদীতে একই দলের আবদুল ওয়াহাব আইন উদ্দিন, মিঠামইনে একই দলের আবদুস শহীদ ভূঁইয়া, ভৈরবে বিএনপির সংস্কারপন্থী নেতা ও ‘বিদ্রোহী’ গিয়াস উদ্দিন ও তাড়াইলে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।
মৌলভীবাজার: শ্রীমঙ্গলে আওয়ামী লীগের রণধীর কুমার দেব।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: আখাউড়ায় বিএনপির মুসলিম উদ্দিন।
কুমিল্লা: মেঘনায় আওয়ামী লীগের আবদুস সালাম।
চাঁদপুর: শাহরাস্তিতে বিএনপির মো. দেলোয়ার হোসেন।
ফেনী: সোনাগাজীতে আওয়ামী লীগের জেড এম কামরুল আনাম ও ফুলগাজীতে একই দলের একরামুল হক।
চট্টগ্রাম: আনোয়ারায় তৌহিদুল হক চৌধুরী, রাউজানে এ কে এ এহসানুল হায়দার চৌধুরী ও রাঙ্গুনিয়ায় মো. আলী শাহ। তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী।
রাঙামাটি: জুড়াছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) উদয় জয় চাকমা।
বান্দরবান: নাইক্ষ্যংছড়িতে জামায়াতের তোফায়েল আহমেদ।

No comments:
Post a Comment