ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ মিলবে নেগেটিভ মার্কিংয়েও
এই সময় : রাজ্য জয়েন্টের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকায় কোনও পরীক্ষার্থী তিনটি বিষয়ে নেগেটিভ মার্কিং পেলেও র্যাঙ্কিংয়ে তাঁর নাম থাকবে ! চলতি বছরে ফের এ হেন বিতর্কিত বন্দোবস্ত চালু করছে রাজ্য জয়েন্ট বোর্ড৷ বিকেন্দ্রীকৃত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ওই পড়ুয়াদের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রেও এর ফলে বাধা থাকবে না৷ বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শূন্য আসন ভরাতেই রাজ্য জয়েন্ট বোর্ডের এই 'দায় 'গ্রহণ বলে মনে করছে শিক্ষামহল৷ অবশ্য নেগেটিভ মার্কিং পাওয়া পড়ুয়ারা অনলাইন কাউন্সেলিংয়ে যোগ্য বিবেচিত হবেন না বলে জানিয়েছে বোর্ড৷
বোর্ড চেয়ারম্যান ভাস্কর গুপ্ত শনিবার বলেন , '২০১২ -য় এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল৷ নেগেটিভ মার্কিং সত্ত্বেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগে নানা মহল থেকে উচ্চশিক্ষায় মানের অবনমন নিয়ে অভিযোগ ওঠায় ২০১৩ -য় এই পদ্ধতি প্রত্যাহার করা হয়৷ কিন্ত্ত আমরা ফের সেই পদ্ধতি ফেরাচ্ছি৷ '
কেন ? ভাস্করবাবুর জবাব , 'গতবারও সবাইকে নম্বর দেওয়া হয়েছিল৷ তাই এ বার র্যাঙ্কও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে৷ তবে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ে বসার ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে প্রতিটি বিষয়েই পজিটিভ নম্বর পেতে হবে৷ '
রাজ্যে পালাবদলের পর কোনও প্রবেশিকা পরীক্ষায় না বসেও উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলেই বিকেন্দ্রীকৃত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির নিয়ম চালু হয়েছিল৷ এ বার উচ্চশিক্ষা দন্তর সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করেছে৷ তার প্রেক্ষিতে বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের পর ফাঁকা থাকা আসন ভরাতে বিকল্প পন্থা উদ্ভাবনের জন্য 'চাপ ' বাড়তে থাকে৷ সে কারণেই জয়েন্ট বোর্ডের পুরোনো ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে৷ প্রসঙ্গত , গত বছর ৩৫ হাজার আসনের মধ্যে অনলাইন কাউন্সেলিং শেষে সাড়ে আট হাজার আসনই ফাঁকা ছিল৷ যদিও গত বছরের তুলনায় এ বার পশ্চিমবঙ্গ , অসম ও ত্রিপুরা ছাড়া অন্য রাজ্য থেকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫৯ হাজার ৭১৯ হয়েছে৷
ভাস্করবাবু জানান , গত বার মেডিক্যালে ভর্তির জন্য সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল৷ সেই মোতাবেক এ বারও প্রথমে মেডিক্যালে ভর্তির জন্য পার্সেন্টাইল পদ্ধতিতে নম্বর প্রদানের কথা হয়৷ কিন্ত্ত অন্য রাজ্যের সঙ্গে সমতা রাখতে মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (এমসিআই ) ১৯৯৭ সালের বিধি মেনেই ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে পড়ুয়াদের৷ মেডিক্যালে এ বার মোট আসন বেড়ে আড়াই হাজার হয়েছে৷ সেই সঙ্গে ফার্মাসির ক্ষেত্রেও ভর্তি পদ্ধতি সরলীকরণ করতে পৃথক মেধা -তালিকা তৈরি করা হবে৷ চেয়ারম্যান জানান , ২ এপ্রিল থেকে জয়েন্ট পরীক্ষা শুরুর দু'দিন আগে পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন৷
জয়েন্ট পরীক্ষা : ১৯ ও ২০ এপ্রিল মোট পরীক্ষার্থী : ১ ,৬৯ ,৮২৮ জনশুধু ইঞ্জিনিয়ারিং দেবেন : ৯৬ ,৪৯১ জনমেডিক্যালে বসবেন : ২৭ ,২৭৬ জনদু'টো পরীক্ষাই দেবেন ' ৪৬ ,৬১ জনজেনপার প্রবেশিকা পরীক্ষা : ১৫ জুন ই -ভেট প্রবেশিকা : ১৪ জুন ৷
বোর্ড চেয়ারম্যান ভাস্কর গুপ্ত শনিবার বলেন , '২০১২ -য় এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল৷ নেগেটিভ মার্কিং সত্ত্বেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগে নানা মহল থেকে উচ্চশিক্ষায় মানের অবনমন নিয়ে অভিযোগ ওঠায় ২০১৩ -য় এই পদ্ধতি প্রত্যাহার করা হয়৷ কিন্ত্ত আমরা ফের সেই পদ্ধতি ফেরাচ্ছি৷ '
কেন ? ভাস্করবাবুর জবাব , 'গতবারও সবাইকে নম্বর দেওয়া হয়েছিল৷ তাই এ বার র্যাঙ্কও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে৷ তবে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ে বসার ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে প্রতিটি বিষয়েই পজিটিভ নম্বর পেতে হবে৷ '
রাজ্যে পালাবদলের পর কোনও প্রবেশিকা পরীক্ষায় না বসেও উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলেই বিকেন্দ্রীকৃত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তির নিয়ম চালু হয়েছিল৷ এ বার উচ্চশিক্ষা দন্তর সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করেছে৷ তার প্রেক্ষিতে বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের পর ফাঁকা থাকা আসন ভরাতে বিকল্প পন্থা উদ্ভাবনের জন্য 'চাপ ' বাড়তে থাকে৷ সে কারণেই জয়েন্ট বোর্ডের পুরোনো ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে৷ প্রসঙ্গত , গত বছর ৩৫ হাজার আসনের মধ্যে অনলাইন কাউন্সেলিং শেষে সাড়ে আট হাজার আসনই ফাঁকা ছিল৷ যদিও গত বছরের তুলনায় এ বার পশ্চিমবঙ্গ , অসম ও ত্রিপুরা ছাড়া অন্য রাজ্য থেকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৫৯ হাজার ৭১৯ হয়েছে৷
ভাস্করবাবু জানান , গত বার মেডিক্যালে ভর্তির জন্য সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল৷ সেই মোতাবেক এ বারও প্রথমে মেডিক্যালে ভর্তির জন্য পার্সেন্টাইল পদ্ধতিতে নম্বর প্রদানের কথা হয়৷ কিন্ত্ত অন্য রাজ্যের সঙ্গে সমতা রাখতে মেডিক্যাল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (এমসিআই ) ১৯৯৭ সালের বিধি মেনেই ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে পড়ুয়াদের৷ মেডিক্যালে এ বার মোট আসন বেড়ে আড়াই হাজার হয়েছে৷ সেই সঙ্গে ফার্মাসির ক্ষেত্রেও ভর্তি পদ্ধতি সরলীকরণ করতে পৃথক মেধা -তালিকা তৈরি করা হবে৷ চেয়ারম্যান জানান , ২ এপ্রিল থেকে জয়েন্ট পরীক্ষা শুরুর দু'দিন আগে পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন৷
জয়েন্ট পরীক্ষা : ১৯ ও ২০ এপ্রিল মোট পরীক্ষার্থী : ১ ,৬৯ ,৮২৮ জনশুধু ইঞ্জিনিয়ারিং দেবেন : ৯৬ ,৪৯১ জনমেডিক্যালে বসবেন : ২৭ ,২৭৬ জনদু'টো পরীক্ষাই দেবেন ' ৪৬ ,৬১ জনজেনপার প্রবেশিকা পরীক্ষা : ১৫ জুন ই -ভেট প্রবেশিকা : ১৪ জুন ৷
http://eisamay.indiatimes.com/nation/new-rules-of-joint-entrance/articleshow/32534392.cms
No comments:
Post a Comment