Friday, February 20, 2015

আসলে বিষয়টা শারীরিক সম্পর্ক করবো, কিন্তু বাচ্চার দায় নেবো না । এমন নীতি ।

Don`t cry JOB! Lathi is the Jawab!
আসলে বিষয়টা শারীরিক সম্পর্ক করবো, কিন্তু বাচ্চার দায় নেবো না । এমন নীতি ।
কাল কল্যানদা দের এভাবেই মারতে মারতে পুলিশ ভ্যানে করে তুলে নিয়ে গেছে । কল্যানদা’রা আমার মাষ্টারমশাই, দাদার মতো । এনারা কন্ট্রাক্টচ্যুয়াল উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক । এনারা বেতন বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছিলেন । জানিয়েছিলেন এনাদের পার্মানেন্ট করা হোক ।
সরকার একটা নতুন ছক করেছে । পার্মানেন্ট চাকরী দিতে হলে স্কুলে মাইনে ৩০ হাজার টাকা মতন । তার মেডিকেল, পিএফ’র দায় সরকারের । বোনাস দিতে হবে মায় চাকরী শেষ হবার পর পেনশন দিতে হবে । তার থেকে ৫০০০ টাকায় সপ্তাহে এই চুক্তি শিক্ষকদের দিয়ে ৩০ টা ক্লাস করিয়ে নেওয়া যাচ্ছে । আসলে বিষয়টা শারীরিক সম্পর্ক করবো, কিন্তু বাচ্চার দায় নেবো না । এমন নীতি ।
সেজন্যই পার্শ্ব শিক্ষকদের নিয়োগ করা হয়েছে । নীল চাষ যেভাবে করানো হতো ঠিক তেমন ভাবেই । সেভাবেই শিশু শিক্ষা কেন্দ্র এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে ।
এজন্যই কদিন আগে সোহিনিদি দের মাথা মেরে ফাটিয়ে দিয়েছে পুলিশ । তারা চুক্তি ভিত্তিক কলেজ শিক্ষক । যাকে বলে গেস্ট লেকচারার । ক্লাস করলে টাকা না করলে কোন সুরক্ষা নেই ।
আর সেজন্যই SSC’র পাকা চাকরী থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে ৩০০০ মানুষ কে । চাকরী দিলে কত হ্যাপা । বোনাস দাও, পেনশন দাও । তার থেকে ১০০ টা ক্লাব কে ১ লাখ করে দিলেই ভোট পকেটে ।
তবু শিক্ষামন্ত্রী ভাবতে পারেননি শহরের দুপ্রান্তে অনশন আন্দোলন চলবে, বিকাশভবনের সামনে চলবে লাগাতার ধর্না । শিরদাঁড়া গুলো শক্ত হচ্ছে । সকলেই দলদাস হয়ে যাননি । বিশেষ করে ছাত্র এবং শিক্ষকরা মাথা নোয়াতে জানে না ।
চাকরীর বাজারে এ কি ন্যাকামো শুরু হয়েছে, সবাই মিলে রুখে না দাঁড়ালে সকলকেই বেকার থাকতে হবে । প্রথমে স্কুল শিক্ষকতা করবার জন্য B.ED ছিল না । তারপর B.ED এলো । এখন ২ বছর হল, এরপর ৪ বছর হবে । তারপর C.ED করতে হবে । মানুষ কি কোর্স করেই চলবে নাকি ??
এরপর কিন্তু স্মৃতি ইরানি কে কিন্তু বকে দেব । বলবো যাদবপুর বা প্রেসিডেন্সি'র পরীক্ষায় বসতে, নাহলে মন্ত্রিত্ব কেড়ে নেব...


No comments:

Post a Comment