রাশিয়াকে ঠেকাতে পূর্ব ইউরোপে সৈন্য পাঠান ॥ ন্যাটোকে ক্যামেরন
সামরিক জোটের শীর্ষ সম্মেলনের আগে নেতাদের প্রতি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, রাশিয়ার হুমকি মোকাবেলার জন্য ন্যাটোকে অবশ্যই পূর্ব ইউরোপে আরও শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের আগে সামরিক জোটের নেতাদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাটো বা এর সদস্যদের যে ভয় দেখানো যাবে নাÑ রাশিয়াকে এ কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিতে হবে। খবর টেলিগ্রাফ ও গার্ডিয়ান অনলাইনের।
ক্যামেরন বলেন, যে কোন নতুন হুমকির ত্বরিৎ জবাব দেয়ার জন্য পশ্চিমামিত্রদের রাশিয়ার সীমান্তে পূর্ব ইউরোপে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। মালয়েশিয়ার এমএইচ-১৭ বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার দায়ে অভিযুক্ত ইউক্রেনীয় বিদ্রোহীদের রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহ করা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির প্রেক্ষাপটে ক্যামেরন এ আহ্বান জানালেন। তিনি বলেন, ইউরোপের পূর্ব সীমান্তকে রক্ষা করতে আরও সামরিক মহড়া চালিয়ে এবং আরও অস্ত্র মোতায়েন করে ন্যাটো রাশিয়াকে অবশ্যই দেখাবে যে, জোট ‘কাজে’ বিশ্বাস করে। ক্যামেরন রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোর সম্পর্ক পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুতিন এখন এ জোটকে কোন অংশীদার নয় বরং বিরোধীপক্ষ হিসেবেই দেখছেন। রাশিয়া ও পাশ্চাত্যের মধ্যে শুক্রবার উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ওই দিন পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বলেন, ইউক্রেন সঙ্কটকে কেন্দ্র করে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিপরীত ফল বয়ে আনবে এবং বর্তমান পরিস্থিতি কোন দেশের স্বার্থেরই অনুকূল নয়। ক্যামেরন বলেন, ন্যাটো সদস্যদের যে কোন হুমকির ত্বরিৎ জবাব দেয়া, যেসব মিত্র তাদের নিজস্ব দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের পুনরায় আশ্বস্ত করা এবং যে কোন রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য আমাদের সামর্থ্য জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, রাশিয়া অবৈধভাবে ক্রিমিয়া দখল করে এবং ইউক্রেনে আগ্রাসী অস্থিরতা সৃষ্টি করে প্রচলিত রীতিনীতি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ওয়েলসের নিউপোর্টে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জোটের তৎপরতা বৃদ্ধি করার দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। জোটের পূর্ব ইউরোপে আরও সামরিক সাজসরঞ্জাম পাঠানোর দিকেও মনোযোগ দেয়া উচিত। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল এবং পূর্ব ইউক্রেনে অব্যাহত অস্থিরতা সৃষ্টি এ কথাই বোঝায় যে, ন্যাটোকে রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। তিনি বলেন, যদিও ন্যাটো সব সময়েই রাশিয়ার প্রতি কোন হুমকি নয়, এর অংশীদারই হতে চেয়েছে, কিন্তু রাশিয়া যে ন্যাটোকে এক বিরোধী শক্তি হিসেবে দেখে থাকে, তা স্পষ্ট।
গত মাসে ন্যাটোর এক সাবেক ডেপুটি সুপ্রীম কমান্ডার সতর্ক করে দেন, যদি পুতিন কোন আকস্মিক আক্রমণের নির্দেশ দেন, তা হলে জোট তা ঠেকাতে অসমর্থ হবে। ওই কমান্ডার স্যার রিচার্ড শিরেক বলেন, রাশিয়ার হাত থেকে লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও এস্তোনিয়ার মতো দেশগুলোকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় হলো সৈন্যদের সঠিক অবস্থানে প্রস্তুত রাখা। তিনি বলেন, লাতভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে বিমানে ৪৫ মিনিটের পথ এমন স্থানে রাশিয়ার এক বিমান ঘাঁটি রয়েছে। ন্যাটো যদি বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর ভেতর সৈন্য মোতায়েন না করে, তাহলে কোন আকস্মিক হামলার জবাব দেয়া ন্যাটোর জন্য একেবারেই অসম্ভব বলে আমার মনে হয়।
ক্যামেরন বলেন, যে কোন নতুন হুমকির ত্বরিৎ জবাব দেয়ার জন্য পশ্চিমামিত্রদের রাশিয়ার সীমান্তে পূর্ব ইউরোপে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। মালয়েশিয়ার এমএইচ-১৭ বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার দায়ে অভিযুক্ত ইউক্রেনীয় বিদ্রোহীদের রাশিয়ার অস্ত্র সরবরাহ করা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির প্রেক্ষাপটে ক্যামেরন এ আহ্বান জানালেন। তিনি বলেন, ইউরোপের পূর্ব সীমান্তকে রক্ষা করতে আরও সামরিক মহড়া চালিয়ে এবং আরও অস্ত্র মোতায়েন করে ন্যাটো রাশিয়াকে অবশ্যই দেখাবে যে, জোট ‘কাজে’ বিশ্বাস করে। ক্যামেরন রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোর সম্পর্ক পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুতিন এখন এ জোটকে কোন অংশীদার নয় বরং বিরোধীপক্ষ হিসেবেই দেখছেন। রাশিয়া ও পাশ্চাত্যের মধ্যে শুক্রবার উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ওই দিন পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বলেন, ইউক্রেন সঙ্কটকে কেন্দ্র করে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিপরীত ফল বয়ে আনবে এবং বর্তমান পরিস্থিতি কোন দেশের স্বার্থেরই অনুকূল নয়। ক্যামেরন বলেন, ন্যাটো সদস্যদের যে কোন হুমকির ত্বরিৎ জবাব দেয়া, যেসব মিত্র তাদের নিজস্ব দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের পুনরায় আশ্বস্ত করা এবং যে কোন রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য আমাদের সামর্থ্য জোরদার করতে হবে। তিনি বলেন, রাশিয়া অবৈধভাবে ক্রিমিয়া দখল করে এবং ইউক্রেনে আগ্রাসী অস্থিরতা সৃষ্টি করে প্রচলিত রীতিনীতি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ওয়েলসের নিউপোর্টে আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জোটের তৎপরতা বৃদ্ধি করার দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। জোটের পূর্ব ইউরোপে আরও সামরিক সাজসরঞ্জাম পাঠানোর দিকেও মনোযোগ দেয়া উচিত। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল এবং পূর্ব ইউক্রেনে অব্যাহত অস্থিরতা সৃষ্টি এ কথাই বোঝায় যে, ন্যাটোকে রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। তিনি বলেন, যদিও ন্যাটো সব সময়েই রাশিয়ার প্রতি কোন হুমকি নয়, এর অংশীদারই হতে চেয়েছে, কিন্তু রাশিয়া যে ন্যাটোকে এক বিরোধী শক্তি হিসেবে দেখে থাকে, তা স্পষ্ট।
গত মাসে ন্যাটোর এক সাবেক ডেপুটি সুপ্রীম কমান্ডার সতর্ক করে দেন, যদি পুতিন কোন আকস্মিক আক্রমণের নির্দেশ দেন, তা হলে জোট তা ঠেকাতে অসমর্থ হবে। ওই কমান্ডার স্যার রিচার্ড শিরেক বলেন, রাশিয়ার হাত থেকে লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও এস্তোনিয়ার মতো দেশগুলোকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় হলো সৈন্যদের সঠিক অবস্থানে প্রস্তুত রাখা। তিনি বলেন, লাতভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে বিমানে ৪৫ মিনিটের পথ এমন স্থানে রাশিয়ার এক বিমান ঘাঁটি রয়েছে। ন্যাটো যদি বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর ভেতর সৈন্য মোতায়েন না করে, তাহলে কোন আকস্মিক হামলার জবাব দেয়া ন্যাটোর জন্য একেবারেই অসম্ভব বলে আমার মনে হয়।
No comments:
Post a Comment