উত্তাল হবে সমুদ্র খবর ছিল না, তাই ডুবল ট্রলার, নিখোঁজ ৫০০

গৌতম মণ্ডল: নিম্নচাপের আগাম সতর্কবার্তা ছিল না মৎস্যজীবীদের কাছে৷ আর তার জেরে গভীর সমুদ্রে গিয়ে এবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হল রাজ্যের মৎস্যজীবীদের৷ সোমবার বিকেল পর্যম্ত বঙ্গোপসাগরে উত্তাল সমুদ্রে ডুবে গেছে দুটি ট্রলার৷ নিখোঁজ ৭ মৎস্যজীবী৷ ডুবে যাওয়া ট্রলারের ২২ মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ যোগাযোগ বিছিন্ন প্রায় ৩০টি ট্রলার পাশের রাজ্যের ওড়িশার ধামরার দিকে চলে গেছে বলে অনুমান৷ এই ট্রলারগুলোতে প্রায় ৫০০ মৎস্যজীবী আছেন৷ ডুবে যাওয়া ও নিখোঁজ ট্রলারগুলো কাকদ্বীপ ও নামখানা থেকে রওনা দিয়েছিল৷ এদিন সকাল থেকে উপকূল রক্ষী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে৷ কিন্তু সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজ দফায় দফায় ব্যাহত হয়৷ ইলিশ ধরার ভরা মরশুমে প্রায় ২ হাজারের বেশি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরছিল৷ শনিবার সন্ধে থেকে নিম্নচাপের জেরে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়৷ সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে৷ কাকদ্বীপের ট্রলার এফ বি সূর্যনারায়ণ ও বাবা মহারুদ্র জম্বুদ্বীপের কাছে মাছ ধরছিল৷ সামুদ্রিক ঝড়ের তোড়ে ট্রলার দুটি গভীর সমুদ্রে উল্টে যায়৷ দুটি ট্রলারে ২৯ জন মৎস্যজীবী ছিলেন৷ অনেক মৎস্যজীবী ট্রলারের কাঠ ধরে সমুদ্রে ভাসতে থাকেন৷ তখন পাশের ট্রলারের মৎস্যজীবীরা এসে ২২ জনকে উদ্ধার করেন৷ বাকিদের খোঁজ চলছে৷ উদ্ধার মৎস্যজীবীদের এদিন দুপুরে নিয়ে আসা হয় কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে৷ ১০ মৎস্যজীবী গুরুতর অসুস্হ৷ অসুস্হ মৎস্যজীবীদের দেখতে হাসপাতালে আসেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা৷ এদিন সন্ধে পর্যম্ত খোঁজ মেলে ২০টি ট্রলারের৷ খোঁজ মেলেনি ৩০টি ট্রলারের৷ এদের মধ্যে বেশিরভাগ ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় স্রোতে ভাসতে ভাসতে ওড়িশার ধামরা বন্দরের দিকে চলে গেছে বলে অনুমান মৎস্যজীবী সংগঠনের৷ কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘নিম্নচাপের আগাম সতর্কতা না পাওয়ার জন্য এভাবে বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রলার-সহ মৎস্যজীবীদের৷ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে আগাম সতর্কবার্তার আবেদন করছি৷’ এ ব্যাপারে জেলা সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) কিরণ দাস বলেন, ‘বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবার কোনও আগাম সতর্কবার্তা দেয়নি আমাদের দপ্তরকে৷ আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে আভাস পেয়েছিলাম৷ সেভাবে জানিয়েছিলাম৷’
গৌতম মণ্ডল: নিম্নচাপের আগাম সতর্কবার্তা ছিল না মৎস্যজীবীদের কাছে৷ আর তার জেরে গভীর সমুদ্রে গিয়ে এবারও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হল রাজ্যের মৎস্যজীবীদের৷ সোমবার বিকেল পর্যম্ত বঙ্গোপসাগরে উত্তাল সমুদ্রে ডুবে গেছে দুটি ট্রলার৷ নিখোঁজ ৭ মৎস্যজীবী৷ ডুবে যাওয়া ট্রলারের ২২ মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ যোগাযোগ বিছিন্ন প্রায় ৩০টি ট্রলার পাশের রাজ্যের ওড়িশার ধামরার দিকে চলে গেছে বলে অনুমান৷ এই ট্রলারগুলোতে প্রায় ৫০০ মৎস্যজীবী আছেন৷ ডুবে যাওয়া ও নিখোঁজ ট্রলারগুলো কাকদ্বীপ ও নামখানা থেকে রওনা দিয়েছিল৷ এদিন সকাল থেকে উপকূল রক্ষী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে৷ কিন্তু সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজ দফায় দফায় ব্যাহত হয়৷ ইলিশ ধরার ভরা মরশুমে প্রায় ২ হাজারের বেশি ট্রলার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরছিল৷ শনিবার সন্ধে থেকে নিম্নচাপের জেরে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়৷ সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে৷ কাকদ্বীপের ট্রলার এফ বি সূর্যনারায়ণ ও বাবা মহারুদ্র জম্বুদ্বীপের কাছে মাছ ধরছিল৷ সামুদ্রিক ঝড়ের তোড়ে ট্রলার দুটি গভীর সমুদ্রে উল্টে যায়৷ দুটি ট্রলারে ২৯ জন মৎস্যজীবী ছিলেন৷ অনেক মৎস্যজীবী ট্রলারের কাঠ ধরে সমুদ্রে ভাসতে থাকেন৷ তখন পাশের ট্রলারের মৎস্যজীবীরা এসে ২২ জনকে উদ্ধার করেন৷ বাকিদের খোঁজ চলছে৷ উদ্ধার মৎস্যজীবীদের এদিন দুপুরে নিয়ে আসা হয় কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে৷ ১০ মৎস্যজীবী গুরুতর অসুস্হ৷ অসুস্হ মৎস্যজীবীদের দেখতে হাসপাতালে আসেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা৷ এদিন সন্ধে পর্যম্ত খোঁজ মেলে ২০টি ট্রলারের৷ খোঁজ মেলেনি ৩০টি ট্রলারের৷ এদের মধ্যে বেশিরভাগ ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় স্রোতে ভাসতে ভাসতে ওড়িশার ধামরা বন্দরের দিকে চলে গেছে বলে অনুমান মৎস্যজীবী সংগঠনের৷ কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘নিম্নচাপের আগাম সতর্কতা না পাওয়ার জন্য এভাবে বিপদের মুখে পড়তে হচ্ছে ট্রলার-সহ মৎস্যজীবীদের৷ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কাছে আগাম সতর্কবার্তার আবেদন করছি৷’ এ ব্যাপারে জেলা সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক) কিরণ দাস বলেন, ‘বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবার কোনও আগাম সতর্কবার্তা দেয়নি আমাদের দপ্তরকে৷ আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে আভাস পেয়েছিলাম৷ সেভাবে জানিয়েছিলাম৷’
No comments:
Post a Comment