গণজাগরণ মঞ্চের ক্ষুব্ধ প্রতিবাদ
নিজামীর রায় স্থগিত
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ জামায়াত আমির নিজামীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় আবারও অপেক্ষমাণ রাখার প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের চারটি স্থানে গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী অবস্থান নেন। প্রতিস্থানেই যুদ্ধারপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান ওঠে।
এর পর পরই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বাধীন গণজাগরণ মঞ্চ এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন শাহবাগ থেকে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে আবার শাহবাগে ফিরে আসে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ‘শাহবাগ আন্দোলন’ ব্যানারে এবং ব্লগার এ্যান্ড অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক (বোয়ান) পৃথক অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সেøাগান দেয়। বিকেলে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং সন্ধ্যায় মশাল মিছিলসহ যুদ্ধাপরাধীদের কুশপুতুল পোড়ানো হয়।
জাদুঘরের প্রধান ফটকের সামনে ব্লগার এ্যান্ড অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক (বোয়ান) অবস্থান কর্মসূচী পালন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন ব্লগার অনিমেষ রহমান, সাগর লোহানীসহ ব্লগাররা। সাগর লোহানী বলেন, আমরা কারও পক্ষেও না কারও বিপক্ষেও না। নিজামীর ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন করছি।
রায় ঘোষণা না করা ও রায়ের আগে জামায়াত-শিবিরের কোন কর্মসূচী না থাকায় নতুন ষড়যন্ত্র ও জামায়াতের সঙ্গে আপোস বলে আখ্যায়িত করেন মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকার। দুপুরের প্রতিবাদী মিছিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইমরান বলেন, এটা ষড়যন্ত্র ও অপকৌশল। আমাদের এ অপকৌশলকে নস্যাত করতে হবে। দীর্ঘ ছয় মাসে আমরা কোন রায় পাচ্ছিলাম না। বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছিল। যখন রায়ের তারিখ ঘোষণা হলো আমাদের মধ্যে পুনরায় আশার সঞ্চার হলো।
ইমরান আরও বলেন, আমরা দেখে এসেছি রায়ের আগে জামায়াত প্রতিক্রিয়া দেখায়, কিন্তু নিজামী আমির হওয়া সত্ত্বেও কোন প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নীরব থেকেছে। তখনই আমাদের মধ্যে সন্দেহের জন্ম নিয়েছিল যে, কোন ধরনের গোপন ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না, এখন তা প্রমাণিত হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লাকী আক্তার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টুসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘরের উত্তর পাশে মিডিয়া সেলের সামনে ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই, কুখ্যাত রাজাকার নিজামীর ফাঁসি চাই স্লোগানে অবস্থান করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের কামাল পাশা চৌধুরী অংশ। মাইকে বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ও দেশাত্মবোধক গান শোনানো হয়।
কামাল পাশা চৌধুরী বলেন, রায় বিলম্বিত করার জন্য নিজামী এটা কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে। ট্রাইব্যুনাল চলাকালে এ নিয়ে মোট সাতবারের মতো সে (নিজামী) অসুস্থ হয়েছে। তাই অসুস্থতার অজুহাত না শুনে অতি দ্রুত, দরকার হলে আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।
শাহবাগে উপস্থিত ছিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের মেহেদী হাসানসহ, প্রজন্ম ৭১, সেøাগান ৭১, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
জাদুঘরের প্রধান ফটকের সামনে ‘নিজামীসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করেছে ছাত্রমৈত্রী। ‘শাহবাগ আন্দোলন’ ব্যানারে নেতৃত্ব দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু। তিনি জানান, শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে জাসদ ছাত্রলীগ, বাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র সমিতি, যুদ্ধাপরাধ বিচার মঞ্চসহ আরও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন রয়েছে।
বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, নিজামীর রায় নিয়ে সরকার টালবাহানা শুরু করেছে। আপোসের রাজনীতির কারণে রায় ঘোষণা করা হলো না। অসুস্থ নয়, নিজামী মারা গেলেও ট্রাইব্যুনালে তার লাশ নিয়ে রায় ঘোষণা করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি কোন অনুকম্পা দেখানো চলবে না।
এর পর পরই বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বাধীন গণজাগরণ মঞ্চ এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন শাহবাগ থেকে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে আবার শাহবাগে ফিরে আসে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ‘শাহবাগ আন্দোলন’ ব্যানারে এবং ব্লগার এ্যান্ড অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক (বোয়ান) পৃথক অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সেøাগান দেয়। বিকেলে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং সন্ধ্যায় মশাল মিছিলসহ যুদ্ধাপরাধীদের কুশপুতুল পোড়ানো হয়।
জাদুঘরের প্রধান ফটকের সামনে ব্লগার এ্যান্ড অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক (বোয়ান) অবস্থান কর্মসূচী পালন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন ব্লগার অনিমেষ রহমান, সাগর লোহানীসহ ব্লগাররা। সাগর লোহানী বলেন, আমরা কারও পক্ষেও না কারও বিপক্ষেও না। নিজামীর ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন করছি।
রায় ঘোষণা না করা ও রায়ের আগে জামায়াত-শিবিরের কোন কর্মসূচী না থাকায় নতুন ষড়যন্ত্র ও জামায়াতের সঙ্গে আপোস বলে আখ্যায়িত করেন মঞ্চের একাংশের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকার। দুপুরের প্রতিবাদী মিছিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইমরান বলেন, এটা ষড়যন্ত্র ও অপকৌশল। আমাদের এ অপকৌশলকে নস্যাত করতে হবে। দীর্ঘ ছয় মাসে আমরা কোন রায় পাচ্ছিলাম না। বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছিল। যখন রায়ের তারিখ ঘোষণা হলো আমাদের মধ্যে পুনরায় আশার সঞ্চার হলো।
ইমরান আরও বলেন, আমরা দেখে এসেছি রায়ের আগে জামায়াত প্রতিক্রিয়া দেখায়, কিন্তু নিজামী আমির হওয়া সত্ত্বেও কোন প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে নীরব থেকেছে। তখনই আমাদের মধ্যে সন্দেহের জন্ম নিয়েছিল যে, কোন ধরনের গোপন ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না, এখন তা প্রমাণিত হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লাকী আক্তার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টুসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘরের উত্তর পাশে মিডিয়া সেলের সামনে ফাঁসি, ফাঁসি, ফাঁসি চাই, কুখ্যাত রাজাকার নিজামীর ফাঁসি চাই স্লোগানে অবস্থান করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের কামাল পাশা চৌধুরী অংশ। মাইকে বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ও দেশাত্মবোধক গান শোনানো হয়।
কামাল পাশা চৌধুরী বলেন, রায় বিলম্বিত করার জন্য নিজামী এটা কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছে। ট্রাইব্যুনাল চলাকালে এ নিয়ে মোট সাতবারের মতো সে (নিজামী) অসুস্থ হয়েছে। তাই অসুস্থতার অজুহাত না শুনে অতি দ্রুত, দরকার হলে আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।
শাহবাগে উপস্থিত ছিল মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের মেহেদী হাসানসহ, প্রজন্ম ৭১, সেøাগান ৭১, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।
জাদুঘরের প্রধান ফটকের সামনে ‘নিজামীসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি ও জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করেছে ছাত্রমৈত্রী। ‘শাহবাগ আন্দোলন’ ব্যানারে নেতৃত্ব দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু। তিনি জানান, শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে জাসদ ছাত্রলীগ, বাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র সমিতি, যুদ্ধাপরাধ বিচার মঞ্চসহ আরও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন রয়েছে।
বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, নিজামীর রায় নিয়ে সরকার টালবাহানা শুরু করেছে। আপোসের রাজনীতির কারণে রায় ঘোষণা করা হলো না। অসুস্থ নয়, নিজামী মারা গেলেও ট্রাইব্যুনালে তার লাশ নিয়ে রায় ঘোষণা করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি কোন অনুকম্পা দেখানো চলবে না।
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/
No comments:
Post a Comment