রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তারেককে দেশে এনে বিচার দাবি
সংসদে বাজেট আলোচনা
সংসদ রিপোর্টার ॥ জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রদোহীতার অভিযোগে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন সরকারী দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। তাঁরা বলেছেন, যতদিন জামায়াতের সঙ্গে প্রেম থাকবে, ততদিন বিএনপি কখনও গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। এই অগণতান্ত্রিক ও জঙ্গীবাদী দলের সঙ্গে সংলাপ হতে পারে না। সংলাপ চাইলে বিএনপিকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সাড়ে ৫ বছর ধরে খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগ সরকারকে পতন ঘটাতে গিয়ে নিজেরই চরম পতন ঘটিয়ে এখন বেসামাল ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনেও বিএনপি না আসলে মুসলিম লীগের মতোই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
সোমবার স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে দশটা থেকে মাঝে চার ঘণ্টা বিরতী দিয়ে রাত ১০টা অবধি দুই দফায় চলা সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন নিয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন।
আলোচনায় অংশ নেন সরকারী দলের জ্যেষ্ঠ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, ড. হাছান মাহমুদ, আবদুল মতিন খসরু, হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন, সাবেক মন্ত্রী রেজাউল করিম হিরা, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আনোয়ারুল আজিম, নিজামুল হক চৌধুরী, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের লুৎফা তাহের, স্বতন্ত্র সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য, বিরোধী দলের প্রধান হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম তালুকদার, নাসরিন জাহান রতœা প্রমুখ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, নির্বাচনে না এসে বিএনপি মহাভুল করেছে। সারাবিশ্ব বর্তমান সরকারকে বৈধ বললেও বিএনপি নেত্রী বলেন অবৈধ! আসলে তাঁদের জন্মই তো অবৈধ। নির্বাচনে না এসে এরা অবৈধপন্থায় ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। তাই ব্যর্থতার দায় খালেদা জিয়াকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশে কিছু মানুষ আছে যারা কালো চশমা পড়ে থাকেন, কোন কিছুই সাদা দেখেন না। টক শোতে গিয়ে বিসমিল্লাহ বলে মিথ্যা বলা শুরু করে, আল্লাহ হাফেজ বলে মিথ্যা বলা শেষ করে। সংলাপের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, সাড়ে ৫ বছর আমাদের পতন ঘটাতে গিয়ে খালেদা জিয়ার নিজেরই পতন ঘটিয়েছেন। সংলাপ চাইলে ৫ বছর অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে না আসলে মুসলিম লীগের মতোই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। তিনি অবিলম্বে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই ওয়ান্টেড ক্রিমিনালকে ফেরত এনে বিচার করতে হবে।
শেয়ারবাজারে গেইন ট্যাক্স বসানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের কথা শুনলেই আমাদের অর্থমন্ত্রীর যেন কি হয়। এমনিতেই এতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগ না হতেই গেইন ট্যাক্স বসালে বিনিয়োগকারীরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে হবে। চেকের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়া প্রদানের বিষয়টিও প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে খালেদা জিয়া বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করতে পারবে না বলেই র্যাব বিলুপ্তি চান। ষড়যন্ত্রের পথ ছেড়ে গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার বিএনপি নেত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়া দিশাহারা ও বেসামাল হয়ে পড়েছেন। এখন বলেন এরশাদ নাকি তাঁর স্বামীর হত্যাকারী? তাহলে দেড় শ’ কোটি টাকার বাড়িসহ যত সাহায্য এরশাদের কাছ থেকে নিয়েছেন তা ফেরত দিন। নইলে আপনিও হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত হবে।
বিরোধীদলের প্রধান হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাজেটকে কল্পনা-বিলাসী মন্তব্য করে বলেন, এটি উচ্চবিত্তদের বাজেট। মানুষ বাজেট বুঝতে চায় না। তারা চায় জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। তারা চায় জিনিসপত্রের দাম কমবে। তিনি বলেন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত ছাড়া এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বাজেটে বিনিয়োগের যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ব্যাংক সুদের হার এখনও চড়া। বিনিয়োগ হবে না।
তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা এই সংসদে বিএনপিকে নিয়ে অনেক কথা বলেন। এতে বিএনপিই আলোচনায় চলে আসতে পারছে। তারা বাইরে কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন। কেন এই সুযোগ দেয়া হচ্ছে জানি না। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা বর্জনের অধিকার সবার আছে। কিন্তু প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই। আইন করে নির্বাচন প্রতিহত করার পথ বন্ধ করতে হবে। না হলে প্রতিবারই এই ঘটনা ঘটবে।
সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু বলেন, নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোন পথ নেই। বিএনপির দায়িত্ব ছিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। নির্বাচনে না এসে খালেদা জিয়া এখন ১৬ কোটি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুরসহ হাতে গোনা দু’চারটি ঘটনায় শেখ হাসিনার বিশাল অর্জন ম্লাণ হয়ে যেতে পারে না। বিচারের মাধ্যমে এসব অপরাধীদের ফাঁসি না দিলে বাজেট বাস্তবায়ন হবে না। কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যখন গাড়ি চলাচল করবে তখনই সংলাপ হতে পারে। তার আগে বিএনপির সঙ্গে কথা বলার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। কারণ পদ্মা সেতু বন্ধ করার জন্য তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। এখন আর জঙ্গীবাদ ও বাংলা ভাই তৈরি করতে পারবেন না। করার চেষ্টা করলে জনগণ গণপিটুনি দিয়ে ইংলিশ ভাইয়ে পরিণত করবে। জামায়াতের সঙ্গে যতদিন প্রেম থাকবে ততদিন বিএনপি গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।
আওয়ামী লীগের ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি রাজপথ গরম করার চেষ্টা করছে, সরকারকে অবৈধ বলছে আবার এই সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতে বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে। এরা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। খালেদা জিয়াসহ তাঁর দলের অস্থায়ী কমিটির নেতারা ক্রমাগত মিথ্যাচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু তথ্য-প্রযুক্তির যুগে তাদের সব ষড়যন্ত্রই ব্যর্থ হবে। জাসদের লুৎফা তাহের জেনারেল জিয়াউর রহমানকে স্বামী হত্যাকারী উল্লেখ করে বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু কর্নেল তাহেরকেই হত্যা করেনি, অনেক প্রহসনের বিচারের নামে বহু মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারকে হত্যা করেছে। অন্যায়ভাবে কর্নেল তাহেরকে হত্যা করা হয়েছে, আমরা এখনও ন্যায় বিচার পাইনি। সেই হত্যাকারীর হাতে তৈরি দলের মুখে বড় কথা মানায় না।
সোমবার স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে সকাল সাড়ে দশটা থেকে মাঝে চার ঘণ্টা বিরতী দিয়ে রাত ১০টা অবধি দুই দফায় চলা সংসদ অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন নিয়ে তাঁরা এসব কথা বলেন।
আলোচনায় অংশ নেন সরকারী দলের জ্যেষ্ঠ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, ড. হাছান মাহমুদ, আবদুল মতিন খসরু, হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন, সাবেক মন্ত্রী রেজাউল করিম হিরা, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, আনোয়ারুল আজিম, নিজামুল হক চৌধুরী, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের লুৎফা তাহের, স্বতন্ত্র সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য, বিরোধী দলের প্রধান হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম তালুকদার, নাসরিন জাহান রতœা প্রমুখ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, নির্বাচনে না এসে বিএনপি মহাভুল করেছে। সারাবিশ্ব বর্তমান সরকারকে বৈধ বললেও বিএনপি নেত্রী বলেন অবৈধ! আসলে তাঁদের জন্মই তো অবৈধ। নির্বাচনে না এসে এরা অবৈধপন্থায় ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। তাই ব্যর্থতার দায় খালেদা জিয়াকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, দেশে কিছু মানুষ আছে যারা কালো চশমা পড়ে থাকেন, কোন কিছুই সাদা দেখেন না। টক শোতে গিয়ে বিসমিল্লাহ বলে মিথ্যা বলা শুরু করে, আল্লাহ হাফেজ বলে মিথ্যা বলা শেষ করে। সংলাপের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, সাড়ে ৫ বছর আমাদের পতন ঘটাতে গিয়ে খালেদা জিয়ার নিজেরই পতন ঘটিয়েছেন। সংলাপ চাইলে ৫ বছর অপেক্ষা করুন। শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে না আসলে মুসলিম লীগের মতোই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। তিনি অবিলম্বে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই ওয়ান্টেড ক্রিমিনালকে ফেরত এনে বিচার করতে হবে।
শেয়ারবাজারে গেইন ট্যাক্স বসানোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের কথা শুনলেই আমাদের অর্থমন্ত্রীর যেন কি হয়। এমনিতেই এতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগ না হতেই গেইন ট্যাক্স বসালে বিনিয়োগকারীরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে হবে। চেকের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়া প্রদানের বিষয়টিও প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র করে খালেদা জিয়া বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করতে পারবে না বলেই র্যাব বিলুপ্তি চান। ষড়যন্ত্রের পথ ছেড়ে গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার বিএনপি নেত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খালেদা জিয়া দিশাহারা ও বেসামাল হয়ে পড়েছেন। এখন বলেন এরশাদ নাকি তাঁর স্বামীর হত্যাকারী? তাহলে দেড় শ’ কোটি টাকার বাড়িসহ যত সাহায্য এরশাদের কাছ থেকে নিয়েছেন তা ফেরত দিন। নইলে আপনিও হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত হবে।
বিরোধীদলের প্রধান হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাজেটকে কল্পনা-বিলাসী মন্তব্য করে বলেন, এটি উচ্চবিত্তদের বাজেট। মানুষ বাজেট বুঝতে চায় না। তারা চায় জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। তারা চায় জিনিসপত্রের দাম কমবে। তিনি বলেন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত ছাড়া এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বাজেটে বিনিয়োগের যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ব্যাংক সুদের হার এখনও চড়া। বিনিয়োগ হবে না।
তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা এই সংসদে বিএনপিকে নিয়ে অনেক কথা বলেন। এতে বিএনপিই আলোচনায় চলে আসতে পারছে। তারা বাইরে কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন। কেন এই সুযোগ দেয়া হচ্ছে জানি না। তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা বর্জনের অধিকার সবার আছে। কিন্তু প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই। আইন করে নির্বাচন প্রতিহত করার পথ বন্ধ করতে হবে। না হলে প্রতিবারই এই ঘটনা ঘটবে।
সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু বলেন, নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোন পথ নেই। বিএনপির দায়িত্ব ছিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। নির্বাচনে না এসে খালেদা জিয়া এখন ১৬ কোটি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, মিরপুরসহ হাতে গোনা দু’চারটি ঘটনায় শেখ হাসিনার বিশাল অর্জন ম্লাণ হয়ে যেতে পারে না। বিচারের মাধ্যমে এসব অপরাধীদের ফাঁসি না দিলে বাজেট বাস্তবায়ন হবে না। কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যখন গাড়ি চলাচল করবে তখনই সংলাপ হতে পারে। তার আগে বিএনপির সঙ্গে কথা বলার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। কারণ পদ্মা সেতু বন্ধ করার জন্য তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। এখন আর জঙ্গীবাদ ও বাংলা ভাই তৈরি করতে পারবেন না। করার চেষ্টা করলে জনগণ গণপিটুনি দিয়ে ইংলিশ ভাইয়ে পরিণত করবে। জামায়াতের সঙ্গে যতদিন প্রেম থাকবে ততদিন বিএনপি গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত হবে না।
আওয়ামী লীগের ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি রাজপথ গরম করার চেষ্টা করছে, সরকারকে অবৈধ বলছে আবার এই সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসতে বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে। এরা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। খালেদা জিয়াসহ তাঁর দলের অস্থায়ী কমিটির নেতারা ক্রমাগত মিথ্যাচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু তথ্য-প্রযুক্তির যুগে তাদের সব ষড়যন্ত্রই ব্যর্থ হবে। জাসদের লুৎফা তাহের জেনারেল জিয়াউর রহমানকে স্বামী হত্যাকারী উল্লেখ করে বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু কর্নেল তাহেরকেই হত্যা করেনি, অনেক প্রহসনের বিচারের নামে বহু মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারকে হত্যা করেছে। অন্যায়ভাবে কর্নেল তাহেরকে হত্যা করা হয়েছে, আমরা এখনও ন্যায় বিচার পাইনি। সেই হত্যাকারীর হাতে তৈরি দলের মুখে বড় কথা মানায় না।
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/
No comments:
Post a Comment