সাতক্ষীরা ও আমতলীতে টর্নেডো সাত শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত
দেয়ালচাপায় আহত ১০, গবাদিপশু মৃত ॥ চিংড়ি ঘের বিধ্বস্ত
স্টাফ রিপের্টার, সাতক্ষীরা ॥ দশ মিনিটের টর্নেডোর আঘাতে লণ্ড ভণ্ড হয়েছে সুন্দরবন উপকূলীয় ৪টি ইউনিয়নের ২৩টি গ্রাম। ৫ শতাধিক কাঁচা ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ, রমজাননগর, কৈখালী ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ২৩ গ্রামের অধিকাংশ পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। মঙ্গলবার সকালে এই টর্নেডো আঘাত হানে। দেয়ালচাপা পড়ে মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। মাটির দেয়ালচাপা পড়ে কয়েকটি গবাদি পশু মারা গেছে। তাণ্ডবে শতাধিক চিংড়ি ঘেরের বাঁধ নষ্ট হয়ছে।
টর্নেডো কবলিত মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল ও রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আকবর আলী জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে আকস্মিক টর্নেডোর তা-বে দুই ইউনিয়নের ৯টি গ্রাম সিংহড়তলী, চুনকুড়ী, হেতালখালী, হরিনগর, ছোট ভেটখালী, বড় ভেটখালী, পার্শ্বেখালী, জেলেখালী এলাকা ১০ মিনিটের ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে যায়। অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে। এলাকায় বেশ কয়েকটি গবাদি পশু দেয়ালচাপা পড়ে মারা যায়। টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত পার্শ্ববর্তী কৈখওালী ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও সাদেকুর রহমান সাদেম জানান, তাদের এলাকার পূর্ব কৈখালী, জয়াখালী, পশ্চিম কৈখালী, সাহেবখালী, যাদা ও শৈলখালী, ধুমঘাট ও কেওড়াতলী এলাকায় মাটির ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় দুই জন মহিলাসহ অন্তত ১০ জন মাটির দেয়াল চাপা পড়ে আহত হন। ঐ এলাকার বেশ কিছু চিংড়ি ঘেরের বেড়িবাঁধ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিন ও গোলপাতার চাল উড়ে যাওয়ায় শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা বিপাকে পড়েছে। এসব এলাকার অসংখ্য মানুষ নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, ২৩টি গ্রামের আনুমানিক ২১ হাজার ৫শ’ মানুষ টর্নেডোর কবলে পড়েছে। কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি, ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গাছ-গাছালিসহ চিংড়ি ঘেরের ক্ষতি হয়েছে।
সংবাদদাতা, আমতলী থেকে জানান, মঙ্গলবার সকালে বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৪ মিনিট। বাতাসের গতি বেগ ছিল ৩০ কিলোমিটার। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের সময় ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। মাত্র ৪ মিনিট স্থায়ী ঘূর্ণিঝড় আমতলী ও তালতলী উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এ ঝড়ে দু’উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দু’শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ৫ শতাধিক গাছপালা উপরে ফেলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫টি পানের বরজ। ঝড় চলাকালে আমতলী ফেরি ঘাটে বিদ্যুত লাইনের তারের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজির হোসেন কালু পাটোয়ারী বলেন আমার ইউনিয়নের ১০টি কাঁচা ঘর ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু বলেন ২০টি ঘরসহ ১০টি পানের বরজ ভেঙ্গে পড়েছে।
টর্নেডো কবলিত মুন্সীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল ও রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আকবর আলী জানান, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে আকস্মিক টর্নেডোর তা-বে দুই ইউনিয়নের ৯টি গ্রাম সিংহড়তলী, চুনকুড়ী, হেতালখালী, হরিনগর, ছোট ভেটখালী, বড় ভেটখালী, পার্শ্বেখালী, জেলেখালী এলাকা ১০ মিনিটের ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে যায়। অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে। এলাকায় বেশ কয়েকটি গবাদি পশু দেয়ালচাপা পড়ে মারা যায়। টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত পার্শ্ববর্তী কৈখওালী ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ও সাদেকুর রহমান সাদেম জানান, তাদের এলাকার পূর্ব কৈখালী, জয়াখালী, পশ্চিম কৈখালী, সাহেবখালী, যাদা ও শৈলখালী, ধুমঘাট ও কেওড়াতলী এলাকায় মাটির ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় দুই জন মহিলাসহ অন্তত ১০ জন মাটির দেয়াল চাপা পড়ে আহত হন। ঐ এলাকার বেশ কিছু চিংড়ি ঘেরের বেড়িবাঁধ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিন ও গোলপাতার চাল উড়ে যাওয়ায় শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা বিপাকে পড়েছে। এসব এলাকার অসংখ্য মানুষ নিকটবর্তী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, ২৩টি গ্রামের আনুমানিক ২১ হাজার ৫শ’ মানুষ টর্নেডোর কবলে পড়েছে। কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি, ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গাছ-গাছালিসহ চিংড়ি ঘেরের ক্ষতি হয়েছে।
সংবাদদাতা, আমতলী থেকে জানান, মঙ্গলবার সকালে বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৪ মিনিট। বাতাসের গতি বেগ ছিল ৩০ কিলোমিটার। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের সময় ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। মাত্র ৪ মিনিট স্থায়ী ঘূর্ণিঝড় আমতলী ও তালতলী উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এ ঝড়ে দু’উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দু’শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ৫ শতাধিক গাছপালা উপরে ফেলেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫টি পানের বরজ। ঝড় চলাকালে আমতলী ফেরি ঘাটে বিদ্যুত লাইনের তারের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ায় ৪ ঘণ্টা বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজির হোসেন কালু পাটোয়ারী বলেন আমার ইউনিয়নের ১০টি কাঁচা ঘর ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান কায়েসুর রহমান ফকু বলেন ২০টি ঘরসহ ১০টি পানের বরজ ভেঙ্গে পড়েছে।
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/
No comments:
Post a Comment