ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সামনে সহজ প্রতিপক্ষ
মোঃ মামুন রশীদ ॥ দীর্ঘ ৬৪ বছর পর আবারও ব্রাজিলে ফিরে এসেছে বিশ্বকাপ আসর। ১৯৫০ সালে উরুগুয়ের কাছে স্বপ্নভঙ্গ হওয়ার পর এবারে নিজেদের ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের মিশন নিয়ে নেমেছে সেলেকাওরা। সেটার প্রথম ধাপ ভালভাবেই উতরে গেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। ‘এ’ গ্রুপে ক্রোয়েশিয়া ও ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে বড় জয় আর মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ড্র করে শীর্ষে থেকেই পা রেখেছে দ্বিতীয় রাউন্ডে। এবার শেষ ষোলো অতিক্রম করার অভিযানে তারা মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার দল চিলির বিরুদ্ধে। শক্তিমত্তার দিক থেকে অনেকটাই সহজতর প্রতিপক্ষকেই পাচ্ছে ব্রাজিল। কোনভাবে শেষ ম্যাচ না জিততে পারলে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে তাদের সামনে পড়ত ইউরোপিয়ান পরাশক্তি হল্যান্ড। লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বছাইয়ে দুরন্ত আর্জেন্টিনা শীর্ষস্থান নিয়েই এবার বিশ্বকাপ শুরু করেছে। শক্তির দিক থেকে আকাশ-পাতাল ফারাক থাকা ইরান, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা ও নাইজিরিয়ার সঙ্গে খেলায় সহজেই সবার আগে প্রথম রাউন্ড টপকাতে পেরেছে দলটি। শেষ ম্যাচে নাইজিরিয়ার বিরুদ্ধে কোনভাবে হেরে গেলে ‘এফ’ গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে তারা শক্তিধর ফ্রান্সের সামনে পড়বে। তবে অতীত এবং বর্তমান নৈপুণ্য বিশ্লেষণে সে সম্ভাবনা কম। গ্রুপ সেরা হিসেবেই দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রাখতে যাচ্ছে সুপারস্টার লিওনেল মেসির দল আর্জেন্টিনা। সেক্ষেত্রে তাঁদের প্রতিপক্ষ হবে দুর্বলতর ইকুয়েডর অথবা সুইজারল্যান্ড। এবার বিশ্বকাপ জয়ে অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উভয়ের ভাগ্যেই সে কারণে সহজ প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা করতে হতে পারে।
স্বাগতিক হিসেবে বাছাইপর্ব না খেলে সরাসরিই বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছে ব্রাজিল। সে কারণে লাতিন আমেরিকার দলগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়নি। শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ চিলি তাদের জন্য কতটা সহজ প্রতিপক্ষ হবে সেজন্য পরিসংখ্যান এবং চলতি বিশ্বকাপে দল দুটির নৈপুণ্যের দিকে তাকাতে হবে। ব্রাজিল ‘এ’ গ্রুপে এবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই ইউরোপীয় শক্তি ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলের সহজ জয় পায়। তবে সেলেকাওরা মুগ্ধ করতে পারেনি। দ্বিতীয় ম্যাচেও মেক্সিকানদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে হতাশ করে ব্রাজিল। ছন্দময়, শৈল্পিক আর আক্রমণাত্মক ফুটবল যাদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য তার ছাপ এ ম্যাচেও দেখাতে না পারায় পুরো বিশ্বই হয়েছে হতাশ। তবে শেষ ম্যাচে নিজেদের বৈশিষ্ট্যটা দেখাতে সক্ষম হয়েছে তারা। আফ্রিকার অদম্য সিংহ ক্যামেরুনকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ ষোলোয় গ্রুপ সেরা হিসেবে পা রেখেছে। পেয়েছে চিলিকে। ২০০২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ না পেলেও গত আসরেও দ্বিতীয় রাউন্ড খেলেছে চিলি। এবারও বেশ নির্বিঘেœ প্রথম পর্ব উতরে গেছে দলটি। শেষ ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ২-০ গোলে পরাজয় ছাড়া অস্ট্রেলিয়া (৩-১) ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের (২-০) বিরুদ্ধে সহজ জয় পেয়েছে চিলি। তবে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৪ ম্যাচ খেলে মাত্র ৭ জয় পেয়েছে তারা আর হেরেছে ৫২ ম্যাচ। সর্বশেষ মুখোমুখিতেও চিলিকে গত বছর নবেম্বরে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। সেদিক থেকে শেষ ষোলোয় ছন্দ খুঁজে পাওয়া ব্রাজিলের সামনে সহজ প্রতিপক্ষই ধরা হচ্ছে চিলিকে।
আর্জেন্টিনা ‘এফ’ গ্রুপে বিশ্ব্যব্যাপী ভক্ত-সমর্থকদের মন ভরাতে পারেনি। নবাগত বসনিয়ার বিরুদ্ধে জিততে ঘাম ঝরেছে, ইনজুরি সময়ে গোল করে একেবারেই দুর্বল ইরানকে ১-০ গোলে হারাতে পেরেছে। নাইজিরিয়ার বিরুদ্ধে শেষ গ্রুপ ম্যাচ না হারলে সেরা দল হিসেবেই প্রথম রাউন্ড পেরোবে তারা। সেদিক থেকে প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যাচ্ছে দুর্বলতম প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর বা সুইজারল্যান্ডকে পেতে যাচ্ছে তাঁরা। ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ৩১ ম্যাচ খেলে ১৭ বার জয়ী আর্জেন্টাইনরা হেরেছে মাত্র চারটি। আর এবার ‘ই’ গ্রুপে তেমন ধারালো কোন ফুটবলও উপহার দিতে পারেনি ইকুয়েডর। একই অবস্থা সুইসদেরও। তাদের বিরুদ্ধে ৬ ম্যাচ খেলে চারবারই জিতেছে লা আলবিসিলেস্তেরা। বাকি দুটি হয়েছে ড্র। এ কারণে শেষ ষোলোয় সহজতর প্রতিপক্ষই পাচ্ছে আর্জেন্টিনাও। যদি খুব অভাবনীয় কোন অঘটন ঘটে সেক্ষেত্রেই শুধু শক্তিশালী ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে পারে।
স্বাগতিক হিসেবে বাছাইপর্ব না খেলে সরাসরিই বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছে ব্রাজিল। সে কারণে লাতিন আমেরিকার দলগুলোর সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়নি। শেষ ষোলোর প্রতিপক্ষ চিলি তাদের জন্য কতটা সহজ প্রতিপক্ষ হবে সেজন্য পরিসংখ্যান এবং চলতি বিশ্বকাপে দল দুটির নৈপুণ্যের দিকে তাকাতে হবে। ব্রাজিল ‘এ’ গ্রুপে এবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই ইউরোপীয় শক্তি ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ৩-১ গোলের সহজ জয় পায়। তবে সেলেকাওরা মুগ্ধ করতে পারেনি। দ্বিতীয় ম্যাচেও মেক্সিকানদের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে হতাশ করে ব্রাজিল। ছন্দময়, শৈল্পিক আর আক্রমণাত্মক ফুটবল যাদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্য তার ছাপ এ ম্যাচেও দেখাতে না পারায় পুরো বিশ্বই হয়েছে হতাশ। তবে শেষ ম্যাচে নিজেদের বৈশিষ্ট্যটা দেখাতে সক্ষম হয়েছে তারা। আফ্রিকার অদম্য সিংহ ক্যামেরুনকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ ষোলোয় গ্রুপ সেরা হিসেবে পা রেখেছে। পেয়েছে চিলিকে। ২০০২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ না পেলেও গত আসরেও দ্বিতীয় রাউন্ড খেলেছে চিলি। এবারও বেশ নির্বিঘেœ প্রথম পর্ব উতরে গেছে দলটি। শেষ ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ২-০ গোলে পরাজয় ছাড়া অস্ট্রেলিয়া (৩-১) ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন স্পেনের (২-০) বিরুদ্ধে সহজ জয় পেয়েছে চিলি। তবে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৪ ম্যাচ খেলে মাত্র ৭ জয় পেয়েছে তারা আর হেরেছে ৫২ ম্যাচ। সর্বশেষ মুখোমুখিতেও চিলিকে গত বছর নবেম্বরে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। সেদিক থেকে শেষ ষোলোয় ছন্দ খুঁজে পাওয়া ব্রাজিলের সামনে সহজ প্রতিপক্ষই ধরা হচ্ছে চিলিকে।
আর্জেন্টিনা ‘এফ’ গ্রুপে বিশ্ব্যব্যাপী ভক্ত-সমর্থকদের মন ভরাতে পারেনি। নবাগত বসনিয়ার বিরুদ্ধে জিততে ঘাম ঝরেছে, ইনজুরি সময়ে গোল করে একেবারেই দুর্বল ইরানকে ১-০ গোলে হারাতে পেরেছে। নাইজিরিয়ার বিরুদ্ধে শেষ গ্রুপ ম্যাচ না হারলে সেরা দল হিসেবেই প্রথম রাউন্ড পেরোবে তারা। সেদিক থেকে প্রায় নিশ্চিতভাবেই বলা যাচ্ছে দুর্বলতম প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর বা সুইজারল্যান্ডকে পেতে যাচ্ছে তাঁরা। ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ৩১ ম্যাচ খেলে ১৭ বার জয়ী আর্জেন্টাইনরা হেরেছে মাত্র চারটি। আর এবার ‘ই’ গ্রুপে তেমন ধারালো কোন ফুটবলও উপহার দিতে পারেনি ইকুয়েডর। একই অবস্থা সুইসদেরও। তাদের বিরুদ্ধে ৬ ম্যাচ খেলে চারবারই জিতেছে লা আলবিসিলেস্তেরা। বাকি দুটি হয়েছে ড্র। এ কারণে শেষ ষোলোয় সহজতর প্রতিপক্ষই পাচ্ছে আর্জেন্টিনাও। যদি খুব অভাবনীয় কোন অঘটন ঘটে সেক্ষেত্রেই শুধু শক্তিশালী ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে পারে।
No comments:
Post a Comment