এবার ঢাকামুখী মানুষের স্রোত
স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঈদের ছুটি শেষ। আজ থেকে পুরোদমে অফিস শুরু। রাজধানীতে বাড়ছে মানুষের ভিড়। কর্মচঞ্চল হচ্ছে পরিবেশ। শনিবার কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট ও বাস টার্মিনালগুলোতে ছিল ঢাকামুখী মানুষের স্রোত। কর্মস্থলে যোগ দিতে কোন পিছুটানেই আটকে রাখতে পারেনি। তাইত যে যেভাবে পারছেন ফিরছেন ঢাকা। শনিবার কমলাপুরে ট্রেন যাত্রায় কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের। বিলম্বে এসেছে বেশকিছু ট্রেন। তাই ছেড়েছেও বিলম্বে। বাড়তি যাত্রী নিয়ে সদরঘাটে এসেছে লঞ্চ। সড়কপথেও যাত্রী ছিল অন্যদিনের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। শনিবার ভোর থেকেই রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল উপচেপড়া ভিড়। রাজধানীর প্রধান এই প্রবেশ দ্বার সদরঘাট থেকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪৪টি রুটে লঞ্চ চলাচল করছে। পটুয়াখালী থেকে আসা যাত্রী রিপন রায় জানালেন, ছুটি শেষ। কাল (রবিবার) থেকে কাজে যোগ দিতে হবে। না এসে উপায় নেই। প্রিয়জনদের সঙ্গে হাসি আনন্দে ছুটি কাটিয়েছি। স্মৃতি হয়ে আছে সবকিছু। অনেক কষ্ট নিয়ে বাড়ি থেকে এসেছি। আনন্দের মুহূর্তগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠছে বার বার। চাঁদপুর থেকে আসা হুমায়ুন জানান, মন না চাইলেও ফিরতে হবে। ঈদের সময় ভোগান্তি কিছুটা থাকবেই। তবে আগের তুলনায় এখন অনেকটাই কম। সব মিলিয়ে ভাল সময় কেটেছে।
এবার যাত্রীদের ফিরতে কোন ঝামেলায় পড়তে হয়নি বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা খন্দকার। তিনি বলেন, এবারের ঈদে নৌরুটে প্রায় তিন কোটি মানুষ যাতায়াত করছে। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মাওয়া-বরিশাল, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে একটি করে মোট চারটি উদ্ধারকারী জাহাজ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আকাশপথে হেলিকপ্টার টহল দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সহসভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় গত দুই দিন ধরেই হুমড়ি খেয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ।
বেলা ২টা ৪০ মিনিটে কমলাপুর থেকে রাজশাহী ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ঠিক সময়ে কমলাপুর ত্যাগ করতে পারেনি সিল্কসিটি এক্সপ্রেস। দুই ঘণ্টা বিলম্বে প্রায় পাঁচটার দিকে ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা জানান স্টেশন ম্যানেজার খায়রুল বশীর। তবে, বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঠিক সময়েই কমলাপুর ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন খান।
ঈদ উত্তর ট্রেনযাত্রায় অপেক্ষার প্রহর গুণতে দেখা গেছে যাত্রীদের। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ কম থাকলেও ঠিক মতো ট্রেন ছাড়তে পারছে না। শনিবার ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কমলাপুর থেকে প্রায় ২০টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেস আড়াই ঘণ্টা এবং খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস পৌনে দুই ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুর ছেড়েছে। দুটি ট্রেনই যথাক্রমে দুই ঘণ্টা ও এক ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুরে এসে পৌঁছায়।
এ ছাড়া অন্যান্য ট্রেনও গড়ে ৩০ থেকে ৫০ মিনিট দেরিতে কমলাপুর ছেড়েছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরম মাস্টার কামরুজ্জামান জানান, ট্রেন বিলম্বে আসার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তিনি বলেন, নানা কারণে ট্রেন সময়মতো আসছে না। শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সব কারণে বেশকিছু রুটে সাময়িক ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। যার প্রভাব আজও (শনিবার) কিছুটা রয়েছে। তবে আমরা আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রেনের সিডউল ঠিক হবে।
কমলাপুর রেল ম্যানেজার মোঃ খায়রুল বশীর বলেন, দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো ঢাকায় পৌঁছতে দেরি করছে। এ কারণেই ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর সিডিউলে সমস্যা হচ্ছে। স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, কমলাপুরে পৌঁছানো একটা ট্রেনের ফিরতি যাত্রা শুরু করতে সময় লাগে ৪০ মিনিট। ঢাকার বাইরে থেকে আসা ট্রেনগুলোকে এই সময়ের মধ্যে আমরা ছাড়তে পারছি। কিন্তু কমলাপুরে যদি ঠিক সময়ে ট্রেন না আসে তাহলে তো আমাদের করার কিছু থাকে না।
সড়কপথে অনেকটাই নিরাপদে ফিরছেন যাত্রীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল এই চার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের কোথাও যানজট বা ভোগান্তির কোন খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকায় ফেরা মানুষের টিকেট পেতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। কেউ কেউ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করার অভিযোগ করেছেন। কারও অভিযোগ বাস সঙ্কটের কারণে দুই থেকে তিন ঘণ্টা কাউন্টারের সামনে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
এবার যাত্রীদের ফিরতে কোন ঝামেলায় পড়তে হয়নি বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা খন্দকার। তিনি বলেন, এবারের ঈদে নৌরুটে প্রায় তিন কোটি মানুষ যাতায়াত করছে। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে মাওয়া-বরিশাল, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে একটি করে মোট চারটি উদ্ধারকারী জাহাজ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আকাশপথে হেলিকপ্টার টহল দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সহসভাপতি বদিউজ্জামান বাদল বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় গত দুই দিন ধরেই হুমড়ি খেয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ।
বেলা ২টা ৪০ মিনিটে কমলাপুর থেকে রাজশাহী ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ঠিক সময়ে কমলাপুর ত্যাগ করতে পারেনি সিল্কসিটি এক্সপ্রেস। দুই ঘণ্টা বিলম্বে প্রায় পাঁচটার দিকে ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার কথা জানান স্টেশন ম্যানেজার খায়রুল বশীর। তবে, বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ঠিক সময়েই কমলাপুর ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন খান।
ঈদ উত্তর ট্রেনযাত্রায় অপেক্ষার প্রহর গুণতে দেখা গেছে যাত্রীদের। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের চাপ কম থাকলেও ঠিক মতো ট্রেন ছাড়তে পারছে না। শনিবার ভোর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কমলাপুর থেকে প্রায় ২০টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেস আড়াই ঘণ্টা এবং খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস পৌনে দুই ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুর ছেড়েছে। দুটি ট্রেনই যথাক্রমে দুই ঘণ্টা ও এক ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুরে এসে পৌঁছায়।
এ ছাড়া অন্যান্য ট্রেনও গড়ে ৩০ থেকে ৫০ মিনিট দেরিতে কমলাপুর ছেড়েছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফরম মাস্টার কামরুজ্জামান জানান, ট্রেন বিলম্বে আসার কারণে ছাড়তেও বিলম্ব হচ্ছে। তিনি বলেন, নানা কারণে ট্রেন সময়মতো আসছে না। শুক্রবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ সব কারণে বেশকিছু রুটে সাময়িক ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। যার প্রভাব আজও (শনিবার) কিছুটা রয়েছে। তবে আমরা আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রেনের সিডউল ঠিক হবে।
কমলাপুর রেল ম্যানেজার মোঃ খায়রুল বশীর বলেন, দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো ঢাকায় পৌঁছতে দেরি করছে। এ কারণেই ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর সিডিউলে সমস্যা হচ্ছে। স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, কমলাপুরে পৌঁছানো একটা ট্রেনের ফিরতি যাত্রা শুরু করতে সময় লাগে ৪০ মিনিট। ঢাকার বাইরে থেকে আসা ট্রেনগুলোকে এই সময়ের মধ্যে আমরা ছাড়তে পারছি। কিন্তু কমলাপুরে যদি ঠিক সময়ে ট্রেন না আসে তাহলে তো আমাদের করার কিছু থাকে না।
সড়কপথে অনেকটাই নিরাপদে ফিরছেন যাত্রীরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল এই চার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের কোথাও যানজট বা ভোগান্তির কোন খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকায় ফেরা মানুষের টিকেট পেতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। কেউ কেউ দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট সংগ্রহ করার অভিযোগ করেছেন। কারও অভিযোগ বাস সঙ্কটের কারণে দুই থেকে তিন ঘণ্টা কাউন্টারের সামনে অপেক্ষা করতে হয়েছে।
http://allbanglanewspapers.com/janakantha/
No comments:
Post a Comment