নেই বই-খাতা, হতাশায় আত্মঘাতী ছাত্রী
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় বই-খাতা-পেন্সিল না পেয়ে আত্মহত্যা করল ওডিশার কিশোরী। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক পরিণতিতে শোকস্তব্ধ গোটা গঞ্জাম জেলা।
রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে গঞ্জাম জেলার ছোট শহর আসকার বাসিন্দা দরিদ্র পরিবারে অভাব নিত্যসঙ্গী। এ বছর ক্লাস সেভেনে উঠেছিল চোদ্দো বছরের জয়ন্তী। কিন্তু অর্থাভাবে তাকে নতুন বই-খাতা কিনে দিতে পারেননি বাবা-মা। এদিকে গত ২৩ জুন স্কুল খুলে যাওয়ার পর পড়াশোনা শুরু হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে সে। বার বার বলা সত্ত্বেও অভিভাবকরা টাকা জোগাড় করতে অসমর্থ হন। তাঁরা আরও কিছু দিন সময় চান। কিন্তু আর ধৈর্য ধরতে না পেরে তীব্র হতাশা ও অভিমানে নিজেকে শেষ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় ওই কিশোরী।
গত বুধবার সন্ধ্যেয় বাবা-মা বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় জয়ন্তী। পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে তার দেহের ৫০ শতাংশের বেশি পুড়ে যায়। প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই মারা যায় ওই ছাত্রী।
জয়ন্তীর বাবা বিজয় নায়েক পেশায় জনমজুর। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর শরীর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই কারণে তাঁর রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর স্ত্রী ঈশ্বরী পরিচারিকার কাজ করে যা আয় করেন, তাতে কোনও রকমে সংসার চলে। জানা গিয়েছে, জয়ন্তীর আরও তিন ভাই-বোন রয়েছে। কিশোরীর অকালমৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে গঞ্জাম জেলার ছোট শহর আসকার বাসিন্দা দরিদ্র পরিবারে অভাব নিত্যসঙ্গী। এ বছর ক্লাস সেভেনে উঠেছিল চোদ্দো বছরের জয়ন্তী। কিন্তু অর্থাভাবে তাকে নতুন বই-খাতা কিনে দিতে পারেননি বাবা-মা। এদিকে গত ২৩ জুন স্কুল খুলে যাওয়ার পর পড়াশোনা শুরু হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে সে। বার বার বলা সত্ত্বেও অভিভাবকরা টাকা জোগাড় করতে অসমর্থ হন। তাঁরা আরও কিছু দিন সময় চান। কিন্তু আর ধৈর্য ধরতে না পেরে তীব্র হতাশা ও অভিমানে নিজেকে শেষ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় ওই কিশোরী।
গত বুধবার সন্ধ্যেয় বাবা-মা বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় জয়ন্তী। পুলিশ জানিয়েছে, আগুনে তার দেহের ৫০ শতাংশের বেশি পুড়ে যায়। প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই মারা যায় ওই ছাত্রী।
জয়ন্তীর বাবা বিজয় নায়েক পেশায় জনমজুর। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর শরীর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এই কারণে তাঁর রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর স্ত্রী ঈশ্বরী পরিচারিকার কাজ করে যা আয় করেন, তাতে কোনও রকমে সংসার চলে। জানা গিয়েছে, জয়ন্তীর আরও তিন ভাই-বোন রয়েছে। কিশোরীর অকালমৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
No comments:
Post a Comment