সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘুর বাড়ি ভাংচুর : ২ সদস্য অপহরণ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ জুন, ২০১৪
যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামির পরিবারের সদস্যদের সন্ত্রাসী তাণ্ডবের মুখে আশাশুনির একটি হিন্দু পরিবার নিজ গ্রামেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ওই বাড়িতে দুই দফা হামলার পর গৃহবধূ জবা রানীসহ অন্যদের মারধর করে বৃদ্ধ শ্বশুর ও শাশুড়িকে তারা জোর করে ধরে নিয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।
অপরদিকে মারধরের শিকার গৃহবধূর দুই ছেলেমেয়ে সন্ত্রাসীদের দাপটে স্কুলে যেতে পারছে না। রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে পালিয়ে সাতক্ষীরায় এসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের পারিসামারি গ্রামের গৃহবধূ জবা রানী। তিনি বলেন, পাশের গ্রামের এই সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডবের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস করছে না। সন্ত্রাসীরা এলাকায় পাহারা বসিয়ে জবা পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে জানান তিনি ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পারিসামারির মানিক চন্দ্র বাছাড়ের স্ত্রী জবা রানী বলেন, কাপসণ্ডা গ্রামের জামায়াত কর্মী ইউসুফ আলি দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত ২২ মে রাতে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় সে। এ ঘটনায় পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করায় তিনি আদালতে মামলা করেন। পুলিশ এ মামলায় আসামি ইউসুফকে গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করে। এ গ্রেফতারে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকালে ও রাতে দুই দফায় জবার পরিবারে হামলা করে আসামি জামায়াত কর্মী ইউসুফের ছেলে শিবির ক্যাডার আফিলউদ্দিন ও রবিউল ইসলাম, ভাগ্নে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আলমগীর, ইউসুফের ভাই বহু মামলার আসামি রুহুল আমিন ও রহিম ছাড়াও তাদের স্বামী পরিত্যক্ত চার বোন হালিমা, সুন্দরী, সুফিয়া ও রহিমা। তারা মামলা তুলে নিতে স্ট্যাম্পে সই করার চাপ দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় শুরু করে ভাংচুর ও মারধর। এতে গুরুতর আহত হন জবা, তার মেয়ে রাখি, ছেলে জয়ন্ত, মেয়ে টুম্পা ও শ্বশুর কেনারাম এবং শাশুড়ি কমলা বালা। বাড়িময় তাণ্ডব সৃষ্টি ও ভাংচুরের এক পর্যায়ে তারা বৃদ্ধ কেনারাম ও কমলাকে মোটরসাইকেলে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। রাতে আরও একবার গিয়ে বাড়িঘর তল্লাশি করে তারা জবাকে খুঁজতে থাকে। এ সময় সন্ত্রাসী আলমগীর জবার মেয়ে রাখিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জবা রানী জানান, সন্ত্রাসীরা তার বাড়ির চারপাশে পাহারা বসিয়ে তাদের পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। থানা ও হাসপাতালে গিয়ে কোনো লাভ হবে না বলে হুমকি দিয়েছে।
- See more at: http://www.jugantor.com/news/2014/06/27/115890#sthash.1LpIqczR.dpufঅপরদিকে মারধরের শিকার গৃহবধূর দুই ছেলেমেয়ে সন্ত্রাসীদের দাপটে স্কুলে যেতে পারছে না। রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে পালিয়ে সাতক্ষীরায় এসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন আশাশুনির খাজরা ইউনিয়নের পারিসামারি গ্রামের গৃহবধূ জবা রানী। তিনি বলেন, পাশের গ্রামের এই সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডবের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস করছে না। সন্ত্রাসীরা এলাকায় পাহারা বসিয়ে জবা পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে জানান তিনি ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পারিসামারির মানিক চন্দ্র বাছাড়ের স্ত্রী জবা রানী বলেন, কাপসণ্ডা গ্রামের জামায়াত কর্মী ইউসুফ আলি দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত ২২ মে রাতে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় সে। এ ঘটনায় পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করায় তিনি আদালতে মামলা করেন। পুলিশ এ মামলায় আসামি ইউসুফকে গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করে। এ গ্রেফতারে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকালে ও রাতে দুই দফায় জবার পরিবারে হামলা করে আসামি জামায়াত কর্মী ইউসুফের ছেলে শিবির ক্যাডার আফিলউদ্দিন ও রবিউল ইসলাম, ভাগ্নে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আলমগীর, ইউসুফের ভাই বহু মামলার আসামি রুহুল আমিন ও রহিম ছাড়াও তাদের স্বামী পরিত্যক্ত চার বোন হালিমা, সুন্দরী, সুফিয়া ও রহিমা। তারা মামলা তুলে নিতে স্ট্যাম্পে সই করার চাপ দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় শুরু করে ভাংচুর ও মারধর। এতে গুরুতর আহত হন জবা, তার মেয়ে রাখি, ছেলে জয়ন্ত, মেয়ে টুম্পা ও শ্বশুর কেনারাম এবং শাশুড়ি কমলা বালা। বাড়িময় তাণ্ডব সৃষ্টি ও ভাংচুরের এক পর্যায়ে তারা বৃদ্ধ কেনারাম ও কমলাকে মোটরসাইকেলে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। রাতে আরও একবার গিয়ে বাড়িঘর তল্লাশি করে তারা জবাকে খুঁজতে থাকে। এ সময় সন্ত্রাসী আলমগীর জবার মেয়ে রাখিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জবা রানী জানান, সন্ত্রাসীরা তার বাড়ির চারপাশে পাহারা বসিয়ে তাদের পুরোপুরি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। থানা ও হাসপাতালে গিয়ে কোনো লাভ হবে না বলে হুমকি দিয়েছে।
No comments:
Post a Comment