বাম ও কংগ্রেসের কর্মসূচি ঘিরে যান চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কা
এই সময়: তৃণমূলেরশাখাসংগঠনসর্বভারতীয়তৃণমূলযুবাওপৃথকভাবেরাস্তায় নেমে রেলভাড়া ও মাসুল বৃদ্ধির প্রতিবাদ দেখাল৷ সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নেতৃত্বাধীন যুবাকে নিয়েএইপ্রথমকোনওপৃথক কর্মসূচি করলেন৷ এদিকে তৃণমূল যাতেপ্রতিবাদের সবটুকু কৃতিত্ব চেটেপুটে নিয়ে যেতে না-পারে, তাই কংগ্রেসও কলকাতায় মিছিলে নামছে৷ আজ, শুক্রবার বিধানভবন থেকে গান্ধীমূর্তিপর্যন্ত মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী৷ আজই আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে পথে নামছে বামেরা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কায়দায় এ বার রাত জেগে আন্দোলনের পথে নামছে রাজ্যের বর্তমানপ্রধান বিরোধী পক্ষ বামফ্রন্ট৷ সেই আন্দোলনকে অক্সিজেন জোগাতে শুধুতাঁদের ভাষণেই কাজ হবে না, তা বুঝছেন বিমানবসুরা৷ তাই অতীতে বিরোধী নেত্রীর দেখানো পথে হেঁটে আজ বুধবার নিচুতলার সঙ্গে রাজপথে নিশিযাপন করবেন স্বয়ং বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান৷তাঁরসঙ্গে রাত জাগবেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও৷ সন্ত্রাস-সহ নানা ইস্যুতে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে চলবে টানা তিন দিনের এই বিক্ষোভ কর্মসূচি৷ কংগ্রেস ও বামেদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আজ শহরে যান চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে৷ সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিনে একই সঙ্গেমেট্রো বিভ্রাট এবং বিজেপি ও তৃণমূলের মিছিলকে কেন্দ্র করে শহর অচল হয়েছিল৷
মঙ্গলবার অনুগামীদের নিয়ে যাদবপুর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে পিসির খাসতালুকে বিজেপিকে কড়া ভাড়ায় আক্রমণ করেন অভিষেক৷ রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মূল দলের আলোয় ম্লান হয়ে যেতে বসা 'যুবার' অস্তিত্ব জাহিরের তাগিদেই এই কর্মসূচি অভিষেকের৷ এই মুহূর্তে ঘোষিত ভাবে যুবার কোনও কমিটি নেই৷ তৃণমূল সাফল্যের শীর্ষে উঠলেও যুবা কিন্ত্ত কোনও কিন্ত্ত কোনও দিনই নিজস্ব কৃতিত্বে অভিপ্রেত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি৷
ঘটনা হল, যে জায়গায় দাঁড়িয়ে অভিষেক সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোার করেছেন, সেই হাজরা-কালীঘাট চত্বরেই এ বার বিজেপি তৃণমূলের ঐতিহ্যের ভোট-ব্যাঙ্কে সিঁধ কেটেছে৷ তবে অভিষেকের অভিমত, আসন্ন পুরভোট এবং ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির ভোট ১ শতাংশে নেমে আসবে৷ রেলভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কৃতিত্ব একা তৃণমূলকে দিতে রাজি নয় কংগ্রেস৷ মঙ্গলবার তারাও শ্যামনগর, সোদপুর, বেলঘরিয়া, বিরাটি, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, মছলন্দপুর, বসিরহাটে রেল অবরোধ করে৷ উত্তর কলকাতার কয়েকটি রাস্তাতেও সাময়িক পথ অবরোধ করেন কংগ্রেস কর্মীরা৷
মঙ্গলবার অনুগামীদের নিয়ে যাদবপুর থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করে পিসির খাসতালুকে বিজেপিকে কড়া ভাড়ায় আক্রমণ করেন অভিষেক৷ রাজনৈতিক মহল মনে করছে, মূল দলের আলোয় ম্লান হয়ে যেতে বসা 'যুবার' অস্তিত্ব জাহিরের তাগিদেই এই কর্মসূচি অভিষেকের৷ এই মুহূর্তে ঘোষিত ভাবে যুবার কোনও কমিটি নেই৷ তৃণমূল সাফল্যের শীর্ষে উঠলেও যুবা কিন্ত্ত কোনও কিন্ত্ত কোনও দিনই নিজস্ব কৃতিত্বে অভিপ্রেত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি৷
ঘটনা হল, যে জায়গায় দাঁড়িয়ে অভিষেক সেখানে বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোার করেছেন, সেই হাজরা-কালীঘাট চত্বরেই এ বার বিজেপি তৃণমূলের ঐতিহ্যের ভোট-ব্যাঙ্কে সিঁধ কেটেছে৷ তবে অভিষেকের অভিমত, আসন্ন পুরভোট এবং ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির ভোট ১ শতাংশে নেমে আসবে৷ রেলভাড়া বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কৃতিত্ব একা তৃণমূলকে দিতে রাজি নয় কংগ্রেস৷ মঙ্গলবার তারাও শ্যামনগর, সোদপুর, বেলঘরিয়া, বিরাটি, দমদম ক্যান্টনমেন্ট, মছলন্দপুর, বসিরহাটে রেল অবরোধ করে৷ উত্তর কলকাতার কয়েকটি রাস্তাতেও সাময়িক পথ অবরোধ করেন কংগ্রেস কর্মীরা৷
No comments:
Post a Comment