চলছে অবস্থান পুনরুদ্ধার আর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াই
আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ : ২৭ জুন, ২০১৪
কোথাও নেই সাবেক মেয়র প্রয়াত সংসদ সদস্য শওকত হোসেন হিরন। আওয়ামী লীগের ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল নগরীতে টানানো বিশাল বিশাল ব্যানার আর ফেস্টুন দেখে অন্তত তেমনটাই মনে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে আছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি আছেন সাবেক চিফ হুইপ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সংসদ সদস্য হাসানাত আবদুল্লাহ। এমনকি তার পুত্র যুবলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাদেক আবদুল্লাহর ছবিও আছে নগরীর মোড়ে মোড়ে। কিন্তু নেই হিরন। যেন মারা যাওয়ার মাত্র সোয়া দুই মাসের মধ্যেই হারিয়ে গেছেন তিনি। তাকে ভুলে গেছেন নেতাকর্মীরা। অথচ তার স্ত্রী জেবুন্নেসা হিরন এখন বরিশাল সদর আসনের এমপি। বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড তথা সদর উপজেলাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য অনুসারী। তারপরও কেন নেই হিরনের একটি প্ল্যাকার্ড বা পোস্টার? প্রশ্ন যতটা সহজ উত্তর ততটাই জটিল। আর এই উত্তরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আওয়ামী লীগের ভেতরে চলমান নিয়ন্ত্রণ দখলের লড়াই। গত ২২ মার্চ হিরন অসুস্থ হয়ে পড়ার পর থেকেই যা চলছে গোপনে পরিকল্পিতভাবে।
বরিশালে আওয়ামী লীগের নগর কমিটিসহ পুরো সদর উপজেলা নিয়ন্ত্রণ করতেন হিরন। পক্ষান্তরে জেলা ছিল সংসদ সদস্য হাসানাত আবদুল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। এখানে আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলোর নিয়ন্ত্রণও এভাবেই ছিল দুজনার হাতে। অবশ্য এক্ষেত্রে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ছিল না পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সভাপতি হাসানাতের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস ছিলেন জেলায়। আর মহানগরে সভাপতি হিরনের সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম। হাসানাতের মতো জায়ান্ট লিডার জেলা সভাপতি পদে থাকা সত্ত্বেও মহানগরে একক কর্তৃত্ব ছিল হিরনের। আবার জেলা আওয়ামী লীগ প্রশ্নে হাসানাতই ছিলেন সর্বৈসর্বা। ২২ মার্চ হিরনের অসুস্থ হওয়া এবং ৯ এপ্রিল তার মৃত্যুর পর পাল্টাতে থাকে পরিস্থিতি। ভবিষ্যতে কি হবে না হবে তাই ভেবে খানিকটা চুপসে যায় হিরন অনুসারীরা। আর হিরনবিহীন বরিশালে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে থাকে হাসানাতের লোকজন। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে ঠিকাদারিসহ সব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে থাকে দখলদারিত্ব। এক্ষেত্রে হিরন অনুসারী কিছু আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাও চলে যান হাসানাতের ছায়ায়। পাশাপাশি চলতে থাকে হাসানাতপন্থীদের উপস্থিতির জানান। আওয়ামী লীগের নানা বিশেষ দিন আর কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে বিশাল বিশাল ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে। যথারীতি এসব ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড থেকে বাদ পড়তে থাকেন হিরন। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, হিরনের ছবি দিয়ে আমরাও এসব লাগাতে পারি। কিন্তু সেক্ষেত্রে বিরাগভাজন হওয়ার আশংকা আছে প্রতিপক্ষের। হিরনের স্থলে তার পতœী জেবুন্নেসা হিরন বর্তমানে সংসদ সদস্য হলেও তার ভবিষ্যৎ রাজনীতির ধরন কি হবে বা তিনি আমাদের হিরন ভাইয়ের মতো নিরাপত্তা দিতে পারবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে শংকা। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক কিছু করতে পারছি না আমরা।
নগরে অবস্থান পুনরুদ্ধার আর ধরে রাখার এসব চেষ্টা প্রশ্নে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। হিরন মারা যাওয়ার পর থেকে শূন্য রয়েছে সভাপতির পদ। একমাত্র পদধারী হিসেবে আছেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম। হিরন অসুস্থ থাকাবস্থায়ই একবার সভাপতি পদে ভারপ্রাপ্ত কাউকে বসানোর চেষ্টা চালিয়েছিল হিরনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। পরে অবশ্য ব্যাপক সমালোচনা আর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে থেমে যায় তারা। মহানগর আওয়ামী লীগ প্রশ্নে চুপচাপ থাকলেও হিরনের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্পন্ন করে ফেলে তার বিরোধী পক্ষ। এ কমিটি থেকে ছিটকে পড়ে হিরন অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। বর্তমানে চলছে মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া। যদিও হঠাৎ কেন এই তাড়াহুড়া সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো জবাব নেই কারও কাছে।
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান বলেন, একটি খসড়া কমিটি করার কাজ চলছে। চূড়ান্ত হয়ে গেলে আমরা স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বসব। তারা সম্মতি দিলে কমিটি জমা দেয়া হবে কেন্দ্রে। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে হাসানাত ঘরানার হিসেবে পরিচিত অসীম। মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম আগে হিরন অনুসারী থাকলেও ইদানীং গুঞ্জন উঠেছে পক্ষ ত্যাগ করে হাসানাতের দিকে যাওয়ার। যদিও জসিম এই বিষয়টি স্বীকার করেননি। নয়া এমপি জেবুন্নেসা এখন ব্যস্ত শপথ-পরবর্তী পরিচিতি আর সংসদ নিয়ে। রাজনীতির মাঠে এই মুহূর্তে অতটা শক্তভাবে নামার সময়ও আসেনি। এরকম একটি মুহূর্তে জেলার মতো মহানগর ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে নেয়ার চেষ্টা করছে হিরন প্রতিপক্ষ। সেক্ষেত্রে পুরো নগরীর নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে বেশ বড়সড় একটা অগ্রগতি নিশ্চিত হয় তাদের। এরপর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে আর কোনো বাধা থাকবে না।
বিষয়টি সম্পর্কে আলাপকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, জীবদ্দশায় পূর্ণাঙ্গ কমিটির একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন শওকত হোসেন হিরন। সেটি দাখিল করব সভানেত্রীর কাছে। এ ব্যাপারে তিনিই দেবেন পরবর্তী সিদ্ধান্ত। আমরা কারও বশংবদ হয়ে থাকব না। মহানগর আওয়ামী লীগ চলবে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রশ্নে মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হবে জেবুন্নেসা হিরনকে। অন্যথায় হয়তো বর্তমান মেয়াদের সংসদ সদস্য পদটাই হবে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু এবং শেষ। এসব বিষয় নিয়ে আলাপকালে নয়া এমপি জেবুন্নেসা হিরন বলেন, আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবার সহযোগিতায় রাজনীতি করতে চাই। কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ বাধানো কিংবা জিইয়ে রাখার ইচ্ছা আমার নেই। আমার একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনের উন্নয়নের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। আমি এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।
- See more at: http://www.jugantor.com/last-page/2014/06/27/116044#sthash.Waav6nLU.dpufবরিশালে আওয়ামী লীগের নগর কমিটিসহ পুরো সদর উপজেলা নিয়ন্ত্রণ করতেন হিরন। পক্ষান্তরে জেলা ছিল সংসদ সদস্য হাসানাত আবদুল্লাহর নিয়ন্ত্রণে। এখানে আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলোর নিয়ন্ত্রণও এভাবেই ছিল দুজনার হাতে। অবশ্য এক্ষেত্রে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ছিল না পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সভাপতি হাসানাতের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস ছিলেন জেলায়। আর মহানগরে সভাপতি হিরনের সঙ্গে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম। হাসানাতের মতো জায়ান্ট লিডার জেলা সভাপতি পদে থাকা সত্ত্বেও মহানগরে একক কর্তৃত্ব ছিল হিরনের। আবার জেলা আওয়ামী লীগ প্রশ্নে হাসানাতই ছিলেন সর্বৈসর্বা। ২২ মার্চ হিরনের অসুস্থ হওয়া এবং ৯ এপ্রিল তার মৃত্যুর পর পাল্টাতে থাকে পরিস্থিতি। ভবিষ্যতে কি হবে না হবে তাই ভেবে খানিকটা চুপসে যায় হিরন অনুসারীরা। আর হিরনবিহীন বরিশালে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে থাকে হাসানাতের লোকজন। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে ঠিকাদারিসহ সব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে থাকে দখলদারিত্ব। এক্ষেত্রে হিরন অনুসারী কিছু আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাও চলে যান হাসানাতের ছায়ায়। পাশাপাশি চলতে থাকে হাসানাতপন্থীদের উপস্থিতির জানান। আওয়ামী লীগের নানা বিশেষ দিন আর কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে বিশাল বিশাল ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে। যথারীতি এসব ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড থেকে বাদ পড়তে থাকেন হিরন। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, হিরনের ছবি দিয়ে আমরাও এসব লাগাতে পারি। কিন্তু সেক্ষেত্রে বিরাগভাজন হওয়ার আশংকা আছে প্রতিপক্ষের। হিরনের স্থলে তার পতœী জেবুন্নেসা হিরন বর্তমানে সংসদ সদস্য হলেও তার ভবিষ্যৎ রাজনীতির ধরন কি হবে বা তিনি আমাদের হিরন ভাইয়ের মতো নিরাপত্তা দিতে পারবেন কিনা তা নিয়েও রয়েছে শংকা। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক কিছু করতে পারছি না আমরা।
নগরে অবস্থান পুনরুদ্ধার আর ধরে রাখার এসব চেষ্টা প্রশ্নে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। হিরন মারা যাওয়ার পর থেকে শূন্য রয়েছে সভাপতির পদ। একমাত্র পদধারী হিসেবে আছেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম। হিরন অসুস্থ থাকাবস্থায়ই একবার সভাপতি পদে ভারপ্রাপ্ত কাউকে বসানোর চেষ্টা চালিয়েছিল হিরনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। পরে অবশ্য ব্যাপক সমালোচনা আর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে থেমে যায় তারা। মহানগর আওয়ামী লীগ প্রশ্নে চুপচাপ থাকলেও হিরনের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্পন্ন করে ফেলে তার বিরোধী পক্ষ। এ কমিটি থেকে ছিটকে পড়ে হিরন অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। বর্তমানে চলছে মহানগর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন প্রক্রিয়া। যদিও হঠাৎ কেন এই তাড়াহুড়া সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো জবাব নেই কারও কাছে।
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান বলেন, একটি খসড়া কমিটি করার কাজ চলছে। চূড়ান্ত হয়ে গেলে আমরা স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বসব। তারা সম্মতি দিলে কমিটি জমা দেয়া হবে কেন্দ্রে। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে মহানগর ছাত্রলীগের এক নেতা বলেন, স্থানীয় রাজনীতিতে হাসানাত ঘরানার হিসেবে পরিচিত অসীম। মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম আগে হিরন অনুসারী থাকলেও ইদানীং গুঞ্জন উঠেছে পক্ষ ত্যাগ করে হাসানাতের দিকে যাওয়ার। যদিও জসিম এই বিষয়টি স্বীকার করেননি। নয়া এমপি জেবুন্নেসা এখন ব্যস্ত শপথ-পরবর্তী পরিচিতি আর সংসদ নিয়ে। রাজনীতির মাঠে এই মুহূর্তে অতটা শক্তভাবে নামার সময়ও আসেনি। এরকম একটি মুহূর্তে জেলার মতো মহানগর ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে নেয়ার চেষ্টা করছে হিরন প্রতিপক্ষ। সেক্ষেত্রে পুরো নগরীর নিয়ন্ত্রণ প্রশ্নে বেশ বড়সড় একটা অগ্রগতি নিশ্চিত হয় তাদের। এরপর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে আর কোনো বাধা থাকবে না।
বিষয়টি সম্পর্কে আলাপকালে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম বলেন, জীবদ্দশায় পূর্ণাঙ্গ কমিটির একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন শওকত হোসেন হিরন। সেটি দাখিল করব সভানেত্রীর কাছে। এ ব্যাপারে তিনিই দেবেন পরবর্তী সিদ্ধান্ত। আমরা কারও বশংবদ হয়ে থাকব না। মহানগর আওয়ামী লীগ চলবে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে। জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, রাজনীতির ভবিষ্যৎ প্রশ্নে মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে হবে জেবুন্নেসা হিরনকে। অন্যথায় হয়তো বর্তমান মেয়াদের সংসদ সদস্য পদটাই হবে তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু এবং শেষ। এসব বিষয় নিয়ে আলাপকালে নয়া এমপি জেবুন্নেসা হিরন বলেন, আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সবার সহযোগিতায় রাজনীতি করতে চাই। কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ বাধানো কিংবা জিইয়ে রাখার ইচ্ছা আমার নেই। আমার একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে প্রয়াত শওকত হোসেন হিরনের উন্নয়নের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। আমি এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই।
No comments:
Post a Comment