নবান্ন -বৈঠকেরই ব্যাখ্যায় বিমান
এই সময় : নবান্ন -বৈঠকের বিতর্ক এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে বামেদের৷ তাই তৃণমূলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে তিন দিনের নজিরবিহীন অবস্থান -বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েও বুধবার প্রথমদিন সেই মঞ্চকে মমতার সঙ্গে বৈঠকের কারণ ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহার করতে বাধ্য হলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু৷
নেতৃত্বের ব্যর্থতায় সিপিএম তথা বামফ্রন্টের আন্দোলনবিমুখ মনোভাবের কড়া সমালোচনা শুরু হয়েছে ফ্রন্টের নিচুতলায়৷ এই অবস্থায় নবান্নে ফিশ ফ্রাই হাতে মুখ্যমন্ত্রীকে সন্ত্রাসের অভিযোগ জানাতে গিয়ে বিতর্কের ঝড়ের মুখে পড়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমানবাবু-সহ বাম শরিক নেতৃত্ব৷ সেই বিতর্ক থামাতে সরকারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিমানবাবুকে বলতে হল , 'বিধি মেনে রাজ্যে নতুন সরকার হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী সারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী , আপনার মুখ্যমন্ত্রী , তিনি আমারও মুখ্যমন্ত্রী৷ তাই ওই বৈঠক৷ অনেকের এই বোধ কাজ করছে না৷ সেই কারণে অনেকের মনে নবান্নের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ আসলে আমরা ভেবেছিলাম , সরকার রাজধর্ম পালন করবে৷ কিন্ত্ত তা করেনি৷ তাই এই সভা করে সবাইকে বিষয়টা জানানো দরকার৷ '
সিপিআই নেতা স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন , 'সংবিধান ও প্রশাসনের প্রধানকে হামলা , অত্যাচারের কথা বলতে গিয়েছিলাম৷ 'রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে টানা তিন দিনের অবস্থান -বিক্ষোভ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও৷ বুদ্ধদেববাবু এদিন সভায় কিছু বলেননি৷ তবে সূর্যকান্তবাবুর বক্তৃতায় আত্মসমালোচনার সুরই শোনা গিয়েছে৷ বামেদের থেকে মুখ ফেরানো নতুন প্রজন্মের মন টানতে জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে বলেন , 'সেই সময়টা আমরা দেখেছি৷ কিন্ত্ত নতুন প্রজন্মের অভিজ্ঞতা আমাদের থেকে অনেক বেশি৷ কারণ আপনারা অনেক কঠিন লড়াই দেখছেন এখন৷ 'শুধু নেতাদের ফাঁকা ভাষণে যে আর সংগঠন চাঙ্গা হবে না , তা বুঝতে পারছেন বাম শীর্ষ নেতৃত্ব৷ তাই সূর্যকান্তবাবু এখন বলছেন , 'অতীতে গড়ে ৫১ শতাংশ ভোট পেত বামেরা৷ কিন্ত্ত ওই ভোট পেয়ে ৫১ বার জেতা যায় , কিন্ত্ত বামপন্থা কায়েম করা যায় না৷ তার জন্য বাকি অংশের মানুষের সমর্থন পেতে হয়৷ তা আমরা কখনই পাইনি৷ '
বিরোধী দলনেতার কথায় , এই ব্যর্থতার কারণ , 'মানুষকে শিক্ষা দেওয়া , হেডমাস্টারি করার জন্য আমাদের জন্ম হয়নি৷ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে , কিন্ত্ত আমরা সেই অসংখ্য মানুষের জন্য লড়াই করতে পারিনি৷ গত তিন বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশ্বাস অর্জনের মতো আন্দোলন করতেও পারিনি৷ 'বামপন্থী শহিদ পরিবারের কয়েকজনকে এদিন অবস্থানে হাজির করা হয়েছিল৷ সন্ত্রাসের কাহিনি বলার সুযোগও করে দেওয়া হয় তাঁদের৷ পশ্চিম মেদিনীপুরে হামলায় নিহত মইসেন আলি খানের স্ত্রী সাজেদা বিবি সেই কাহিনি বলার সময় কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞান হারান৷ সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিত্সার দায়িত্বে দেখা যায় সূর্যকান্ত মিশ্রকে৷ একটু পরে ওই মহিলার জ্ঞান ফিরে আসে৷ তার কিছু পরে বক্তৃতাপর্ব শেষ হয়৷ তার পরেই অবস্থান -বিক্ষোভে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে রাত জাগার জন্য মঞ্চে আসেন বিমানবাবু, সূর্যকান্তবাবু, মঞ্জু মজুমদার , মনোজ ভট্টাচার্য, রবিন দেবরা৷ ত্রিমূর্তি অবস্থান বিক্ষোভের মঞ্চে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সূর্যকান্ত মিশ্র ও বিমান বসু৷ বুধবার কুমারশঙ্কর রায়ের তোলা ছবি৷
নেতৃত্বের ব্যর্থতায় সিপিএম তথা বামফ্রন্টের আন্দোলনবিমুখ মনোভাবের কড়া সমালোচনা শুরু হয়েছে ফ্রন্টের নিচুতলায়৷ এই অবস্থায় নবান্নে ফিশ ফ্রাই হাতে মুখ্যমন্ত্রীকে সন্ত্রাসের অভিযোগ জানাতে গিয়ে বিতর্কের ঝড়ের মুখে পড়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিমানবাবু-সহ বাম শরিক নেতৃত্ব৷ সেই বিতর্ক থামাতে সরকারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিমানবাবুকে বলতে হল , 'বিধি মেনে রাজ্যে নতুন সরকার হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী সারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী , আপনার মুখ্যমন্ত্রী , তিনি আমারও মুখ্যমন্ত্রী৷ তাই ওই বৈঠক৷ অনেকের এই বোধ কাজ করছে না৷ সেই কারণে অনেকের মনে নবান্নের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ আসলে আমরা ভেবেছিলাম , সরকার রাজধর্ম পালন করবে৷ কিন্ত্ত তা করেনি৷ তাই এই সভা করে সবাইকে বিষয়টা জানানো দরকার৷ '
সিপিআই নেতা স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন , 'সংবিধান ও প্রশাসনের প্রধানকে হামলা , অত্যাচারের কথা বলতে গিয়েছিলাম৷ 'রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে টানা তিন দিনের অবস্থান -বিক্ষোভ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রও৷ বুদ্ধদেববাবু এদিন সভায় কিছু বলেননি৷ তবে সূর্যকান্তবাবুর বক্তৃতায় আত্মসমালোচনার সুরই শোনা গিয়েছে৷ বামেদের থেকে মুখ ফেরানো নতুন প্রজন্মের মন টানতে জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে বলেন , 'সেই সময়টা আমরা দেখেছি৷ কিন্ত্ত নতুন প্রজন্মের অভিজ্ঞতা আমাদের থেকে অনেক বেশি৷ কারণ আপনারা অনেক কঠিন লড়াই দেখছেন এখন৷ 'শুধু নেতাদের ফাঁকা ভাষণে যে আর সংগঠন চাঙ্গা হবে না , তা বুঝতে পারছেন বাম শীর্ষ নেতৃত্ব৷ তাই সূর্যকান্তবাবু এখন বলছেন , 'অতীতে গড়ে ৫১ শতাংশ ভোট পেত বামেরা৷ কিন্ত্ত ওই ভোট পেয়ে ৫১ বার জেতা যায় , কিন্ত্ত বামপন্থা কায়েম করা যায় না৷ তার জন্য বাকি অংশের মানুষের সমর্থন পেতে হয়৷ তা আমরা কখনই পাইনি৷ '
বিরোধী দলনেতার কথায় , এই ব্যর্থতার কারণ , 'মানুষকে শিক্ষা দেওয়া , হেডমাস্টারি করার জন্য আমাদের জন্ম হয়নি৷ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে , কিন্ত্ত আমরা সেই অসংখ্য মানুষের জন্য লড়াই করতে পারিনি৷ গত তিন বছরে লক্ষ লক্ষ মানুষের বিশ্বাস অর্জনের মতো আন্দোলন করতেও পারিনি৷ 'বামপন্থী শহিদ পরিবারের কয়েকজনকে এদিন অবস্থানে হাজির করা হয়েছিল৷ সন্ত্রাসের কাহিনি বলার সুযোগও করে দেওয়া হয় তাঁদের৷ পশ্চিম মেদিনীপুরে হামলায় নিহত মইসেন আলি খানের স্ত্রী সাজেদা বিবি সেই কাহিনি বলার সময় কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞান হারান৷ সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিত্সার দায়িত্বে দেখা যায় সূর্যকান্ত মিশ্রকে৷ একটু পরে ওই মহিলার জ্ঞান ফিরে আসে৷ তার কিছু পরে বক্তৃতাপর্ব শেষ হয়৷ তার পরেই অবস্থান -বিক্ষোভে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে রাত জাগার জন্য মঞ্চে আসেন বিমানবাবু, সূর্যকান্তবাবু, মঞ্জু মজুমদার , মনোজ ভট্টাচার্য, রবিন দেবরা৷ ত্রিমূর্তি অবস্থান বিক্ষোভের মঞ্চে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, সূর্যকান্ত মিশ্র ও বিমান বসু৷ বুধবার কুমারশঙ্কর রায়ের তোলা ছবি৷
No comments:
Post a Comment