কমিশনের পক্ষপাতকে দূষে বক্রোক্তি মুখ্যমন্ত্রীর
তাপস প্রামাণিক
শান্তিবাজার (দক্ষিণ ত্রিপুরা): ভিন রাজ্যে গিয়েও কপ্টারে সভাস্থলে যেতে পারলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তবে ত্রিপুরায় এসে কপ্টার না-পেয়ে মেদিনীপুরের মতো কোনও চক্রান্তের অভিযোগ করেননি তিনি৷ সভাস্থলে পৌঁছতে দেরি হল কেন, তার ব্যাখ্যা জনতাকে দিতে গিয়ে বললেন, 'হেলিকপ্টারের এত ভাড়া চাইল যে গাড়িতেই আসতে হল৷ আমাদের পার্টি গরিব পার্টি, এত টাকা পাবে কোথায়?'
মঙ্গলবার, দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রত্যন্ত প্রান্ত শান্তিবাজারে লোকসভা ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী৷ এখানে বুঝিয়ে দিলেন, আসন্ন লোকসভাই নয়, ত্রিপুরার আগামী বিধানসভায় বাম দুর্গে শেষ পেরেক পুঁততে কোমর বেঁধেই এসেছেন তিনি৷ তাই মুহূর্মুহূ ত্রিপুরার বাম সরকার আর কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরেই সভা শেষ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ মমতার সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা বারোটায়৷ কিন্ত্ত কপ্টার না-পাওয়ায় নেত্রী সভাস্থলে এসে পৌঁছন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ৷ যদিও ওই রাজ্যের তৃণমূল সংগঠকরা তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে সভাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই৷ কিন্ত্ত অপেক্ষার সময় যতই দীর্ঘ হতে থাকল, মাঠ থেকে লোকজনের ভিড়ও ততই কমতে থাকল৷ সংগঠকদের ধারণা ছিল, হয়তো ত্রিপুরার সভাও রামলীলার মতোই মূষিকপ্রসব করবে৷ তার সাফাই গাইতে তৃণমূল সংগঠকরা স্থানীয় সরকারকে দুষতেও আরম্ভ করেছিলেন৷ বিকেল সাড়ে চারটে বাজতেই ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল তাঁদের৷ সভাস্থলে দলনেত্রী ঢুকতেই মানুষের ভিড় বাড়তে শুরু করে৷ জনসমাগম দেখে প্রথমেই দলনেত্রীর আহ্বান, 'পশ্চিমবঙ্গে বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছি৷ আমরা পারলে আপনারা পারবেন না কেন? বামেদের তাড়াতে জোট বাঁধুন৷'
ভিন রাজ্যে গিয়ে কপ্টার না-পাওয়ায় ১২০ কিলোমিটার রাস্তা সড়কপথে অতিক্রম করতে দলনেত্রীকে৷ এই রাস্তা দিয়ে আসতে গেলে যে কোনও মানুষেরই চোখ পড়বে রাস্তার দু'পাশ লাল পতাকায় মোড়া৷ এমনকি, সভাস্থলে লাগোয়া অংশেও পশ্চিমবঙ্গের নারী নির্যাতনের নানা উদাহরণ তুলে টাঙানো হয়েছিল পোস্টার৷ এ রাজ্যের সরকারকে ধিক্কারবাদ জানিয়ে লেখা ছিল, 'নারী নির্যাতনে পশ্চিমবঙ্গ কেন এক নম্বর, মুখ্যমন্ত্রী জবাব দাও৷' পশ্চিমবঙ্গের তুলনা টেনে মমতা বলেন, 'আমাদের ওখানে (রাজ্যে) তৃণমূলের পোস্টার দেখলেই তা খোলা হয়ে যায়৷ আর এখানে সারা রাস্তা জুড়ে শুধুই লাল পতাকা৷' কমিশনের প্রতি তাঁর কটাক্ষ, 'কমিশন কী চোখ বন্ধ করে থাকে! শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই কমিশনের এই অবস্থান কেন?' পশ্চিমবঙ্গ নারী নির্যাতনের এক নম্বরে এই পোস্টারের জবাবে তাঁর উক্তি, 'বাংলার ধর্ষণ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না সিপিএমকে৷ সব জায়গায় কিছু দুষ্টু লোক থাকে৷ ওখানে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যায়৷ বিচারের ব্যবস্থা করা যায়৷ বাম আমলে তো অভিযোগ নেওয়াই হত না৷'
শান্তিবাজার (দক্ষিণ ত্রিপুরা): ভিন রাজ্যে গিয়েও কপ্টারে সভাস্থলে যেতে পারলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তবে ত্রিপুরায় এসে কপ্টার না-পেয়ে মেদিনীপুরের মতো কোনও চক্রান্তের অভিযোগ করেননি তিনি৷ সভাস্থলে পৌঁছতে দেরি হল কেন, তার ব্যাখ্যা জনতাকে দিতে গিয়ে বললেন, 'হেলিকপ্টারের এত ভাড়া চাইল যে গাড়িতেই আসতে হল৷ আমাদের পার্টি গরিব পার্টি, এত টাকা পাবে কোথায়?'
মঙ্গলবার, দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রত্যন্ত প্রান্ত শান্তিবাজারে লোকসভা ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী৷ এখানে বুঝিয়ে দিলেন, আসন্ন লোকসভাই নয়, ত্রিপুরার আগামী বিধানসভায় বাম দুর্গে শেষ পেরেক পুঁততে কোমর বেঁধেই এসেছেন তিনি৷ তাই মুহূর্মুহূ ত্রিপুরার বাম সরকার আর কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরেই সভা শেষ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ মমতার সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল বেলা বারোটায়৷ কিন্ত্ত কপ্টার না-পাওয়ায় নেত্রী সভাস্থলে এসে পৌঁছন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ৷ যদিও ওই রাজ্যের তৃণমূল সংগঠকরা তাঁদের সমর্থকদের নিয়ে সভাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই৷ কিন্ত্ত অপেক্ষার সময় যতই দীর্ঘ হতে থাকল, মাঠ থেকে লোকজনের ভিড়ও ততই কমতে থাকল৷ সংগঠকদের ধারণা ছিল, হয়তো ত্রিপুরার সভাও রামলীলার মতোই মূষিকপ্রসব করবে৷ তার সাফাই গাইতে তৃণমূল সংগঠকরা স্থানীয় সরকারকে দুষতেও আরম্ভ করেছিলেন৷ বিকেল সাড়ে চারটে বাজতেই ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল তাঁদের৷ সভাস্থলে দলনেত্রী ঢুকতেই মানুষের ভিড় বাড়তে শুরু করে৷ জনসমাগম দেখে প্রথমেই দলনেত্রীর আহ্বান, 'পশ্চিমবঙ্গে বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছি৷ আমরা পারলে আপনারা পারবেন না কেন? বামেদের তাড়াতে জোট বাঁধুন৷'
ভিন রাজ্যে গিয়ে কপ্টার না-পাওয়ায় ১২০ কিলোমিটার রাস্তা সড়কপথে অতিক্রম করতে দলনেত্রীকে৷ এই রাস্তা দিয়ে আসতে গেলে যে কোনও মানুষেরই চোখ পড়বে রাস্তার দু'পাশ লাল পতাকায় মোড়া৷ এমনকি, সভাস্থলে লাগোয়া অংশেও পশ্চিমবঙ্গের নারী নির্যাতনের নানা উদাহরণ তুলে টাঙানো হয়েছিল পোস্টার৷ এ রাজ্যের সরকারকে ধিক্কারবাদ জানিয়ে লেখা ছিল, 'নারী নির্যাতনে পশ্চিমবঙ্গ কেন এক নম্বর, মুখ্যমন্ত্রী জবাব দাও৷' পশ্চিমবঙ্গের তুলনা টেনে মমতা বলেন, 'আমাদের ওখানে (রাজ্যে) তৃণমূলের পোস্টার দেখলেই তা খোলা হয়ে যায়৷ আর এখানে সারা রাস্তা জুড়ে শুধুই লাল পতাকা৷' কমিশনের প্রতি তাঁর কটাক্ষ, 'কমিশন কী চোখ বন্ধ করে থাকে! শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই কমিশনের এই অবস্থান কেন?' পশ্চিমবঙ্গ নারী নির্যাতনের এক নম্বরে এই পোস্টারের জবাবে তাঁর উক্তি, 'বাংলার ধর্ষণ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না সিপিএমকে৷ সব জায়গায় কিছু দুষ্টু লোক থাকে৷ ওখানে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা যায়৷ বিচারের ব্যবস্থা করা যায়৷ বাম আমলে তো অভিযোগ নেওয়াই হত না৷'
http://eisamay.indiatimes.com/election-news/mamata-in-tripura/articleshow/33109742.cms?
এর পর তিনি ত্রিপুরার সরকারকে দুষতে গিয়ে বলেন, 'মানিকবাবু শুধু মানিক হয়ে থাকলেই চলবে! এখানে ক'টা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে? এখানকার ছেলেমেয়েরা বাইরের রাজ্যে পড়তে যাবে, আর তোমাদের ছেলেমেয়েরা অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকা যাবে, তা হবে না৷' তিনি তুলনা টানেন, 'পশ্চিমবঙ্গে মাত্র আড়াই বছরে আমরা একাধিক নতুন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছি৷ মেয়েদের জন্য কন্যাশ্রী আর যুবকদের জন্য যুবশ্রী চালু করেছি৷ কিন্ত্ত ত্রিপুরার সরকার কিছুই করছেন না৷ মানুষ এখানে দমবন্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে৷'
এর পর তিনি ত্রিপুরার সরকারকে দুষতে গিয়ে বলেন, 'মানিকবাবু শুধু মানিক হয়ে থাকলেই চলবে! এখানে ক'টা বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে? এখানকার ছেলেমেয়েরা বাইরের রাজ্যে পড়তে যাবে, আর তোমাদের ছেলেমেয়েরা অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকা যাবে, তা হবে না৷' তিনি তুলনা টানেন, 'পশ্চিমবঙ্গে মাত্র আড়াই বছরে আমরা একাধিক নতুন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছি৷ মেয়েদের জন্য কন্যাশ্রী আর যুবকদের জন্য যুবশ্রী চালু করেছি৷ কিন্ত্ত ত্রিপুরার সরকার কিছুই করছেন না৷ মানুষ এখানে দমবন্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে৷'
No comments:
Post a Comment