মোমের শিখায় একটি ঘণ্টা
নিতান্তই প্রয়োজনীয় কিছু ছাড়া সব বাতি বন্ধ রাখা হয় এই এক ঘণ্টা। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড এ বছরও ২৯ মার্চ তারিখে প্রতিটি দেশের স্থানীয় সময় সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টা আর্থ আওয়ার হিসেবে নির্ধারণ করে। শক্তি সংরক্ষণ ও শক্তির অপচয় রোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশেও এটি আয়োজন করা হলো।
বাংলাদেশে আর্থ আওয়ার আয়োজনের উদ্যোক্তা সানজানা রহমান এ বিষয় সম্পর্কে জানেন তাঁর মায়ের কাছে আসা একটি ই-মেইল থেকে। তারপর চটপট ফেসবুকে খুলে ফেলেন পেজ, ইভেন্ট। নিজের বন্ধুদের নিয়ে লিফলেট ছাপিয়ে বিলি করেন গুলশান, বনানী ও বারিধারার বেশ কিছু বাসায়। ২৯ মার্চ গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মাঠে রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বাতি নিভে গিয়ে জ্বলে ওঠে মোমবাতি। এনার্জি সেভিংয়ের একটি বার্তা হিসেবে আকাশে ওড়ানো হয় রংবেরঙের ফানুস।
বাংলাদেশে আর্থ আওয়ার পালন নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বললেন আয়োজনের উদ্যোক্তা নিজেই, ‘শক্তি সংরক্ষণ আমাদের মতো দেশের জন্য খুব জরুরি একটি বার্তা, যা সবার কাছে পৌঁছানো প্রয়োজন। যেকোনোভাবে শক্তির অপচয় রোধ করে এ ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। সারা বিশ্বের সঙ্গে আর্থ আওয়ার পালন পরিবেশ সচেতনতায় আমাদের আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে বলেই আমার বিশ্বাস।’
No comments:
Post a Comment