মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা অস্বীকার যারা করে, তারা মিথ্যাবাদী, কৃতদাস ও কুকুর-বিড়াল
বাংলাদেশের উদ্ভুদয় হয়েছে ৬ দফার জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যার প্রধাননেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। ওয়ারলেন্স বার্তায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণায় ২৬শে মার্চ শুক্রবার ভোরবেলা থেকেই দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আমরা পাবনা শহরবাসীরা ভোরবেলা থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি। বিকেলে তালাত মাহমুদের গীতিকা বন্ধ করে কোলকাতা বেতার থেকে পাকসেনাদের সাথে বাঙ্গালী ছাত্র-যুবক-পুলিশ-সেনাদের যুদ্ধের কথা, কালুঘাট বেতার থেকে মেজর জিয়ার বিপ্লবী সরকারের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ২৭শে মার্চ শনিবারে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা কথা বার বার প্রচার করা হয়।
মেজর জিয়া কোন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন সামরিক আমলা। কিন্তু জাতির মহাক্রান্তিকালে কোলকাতা বেতারের প্রচারে করায় মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা জাতীয় রাজনৈতিক রূপ নেয়। তখনকার পরিস্থিতিতে এ ঘোষণার অপরিসীম প্রভাব ছিল। এ ঘোষণা পাকবাহিনী ও বঙ্গসেনাদের মধ্যে বিভাজন আনে করে। অবসরপ্রাপ্ত সেনাদেরসহ অনেককে যুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। বঙ্গসেনাদের প্রতীক হিসেবে মেজর জিয়ার এ ঘোষণা জাতিকে আশ্বস্থ ও বাড়তি সাহস জোগায় যে, আমাদের সেনারা আমাদের সাথে আছে।
মেজর জিয়ার ২৬-২৭শে মার্চের ‘স্বাধীনতা ঘোষণার’ মূলেও ছিল ঐতিহাসিক ৬ দফা, ৭ই মার্চের ভাষণ ও মুজিব নেতৃত্বের প্রভাব। বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তার ও নিখোঁজ থাকা অবস্থায় নিজের স্ত্রী-সন্তানকে মৃত্যূর মুখে রেখে জাতির মহাদুঃসময়ে মেজর জিয়া জাতীয় মহাদায়িত্বপালন করেছেন। নাগরিক হিসেবেও স্বাধীনতার ঘোষণা করা যায়। তবে স্বাধীনতার ঘোষণার বাড়তি বৈধতার জন্যে নিজেকে বিপ্লবী সরকারের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করতে হয়। অতঃপর ১০ই ও ১৭ই এপ্রিলের স্বাধীনতা ঘোষণা ও সরকার গঠনকে সরল ও উদার মনে সমর্থন ও মেনে চলেন এবং সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন। মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণায় স্বল্পসময়ে মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় ও গণযুদ্ধে রূপ নেয়।
মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণায় জাতি মহাউপকৃত। ১৯৭১ ছিল ৬ দফা জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ও চেতনায় (মুক্তিযুদ্ধের চেতনা) জাতীয় স্বাধীনতাযুদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনায় নিজ নিজ অবস্থানে থেকে ছাত্র-যুব-জাতীয় নেতাগণ দায়িত্ব পালন করেছেন জন্যেই ৯ মাসে দেশ দখলদারমুক্ত হয়েছে। তবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে মিথ্যাচার এবং ৬ দফার রাষ্ট্রদর্শন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ৯৯% জনগণের জীবনদর্শন ও মানবাধিকারের পরিপন্থীতে রাষ্ট্র-পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সমাজতন্ত্রবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষবাদ যুক্ত হওয়ায় স্বাধীনতোত্তর জাতীয় রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়।
৪র্থ সংশোধনী, বঙ্গবন্ধুর অনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হওয়া ও বাকসাল গঠনে রাজনৈতিক বিপর্যয় হয়। স্বাধীনতোত্তর স্বৈরমুখী রাষ্ট্র-অবকাঠামো, স্বৈরমুখী প্রতিরক্ষা-কাঠামো ও স্বৈরমুখী সরকারব্যবস্থার জন্যেও রাজনৈতিক সংকট ক্রমবধর্মমান হওয়ায় বার বার রাজনৈতিক বিপর্যয় এবং জাতি পরষ্পর বিরোধী চেতনায় বিভাজিত হয়। এ থেকেই দলীয় চেতনায় নেতাসহ পরষ্পরকে অস্বীকৃতি ও অমূল্যায়নসহ মিথ্যাচার। নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণাসহ ও মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ঐতিহাসিক সত্য। এ ঐতিহাসিক সত্যকে যারা অস্বীকার করে, তারা মিথ্যাবাদী, কৃতদাস ও কুকুর-বিড়াল।
বাংলাদেশের উদ্ভুদয় হয়েছে ৬ দফার জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যার প্রধাননেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। ওয়ারলেন্স বার্তায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণায় ২৬শে মার্চ শুক্রবার ভোরবেলা থেকেই দেশব্যাপী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আমরা পাবনা শহরবাসীরা ভোরবেলা থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি। বিকেলে তালাত মাহমুদের গীতিকা বন্ধ করে কোলকাতা বেতার থেকে পাকসেনাদের সাথে বাঙ্গালী ছাত্র-যুবক-পুলিশ-সেনাদের যুদ্ধের কথা, কালুঘাট বেতার থেকে মেজর জিয়ার বিপ্লবী সরকারের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ২৭শে মার্চ শনিবারে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা কথা বার বার প্রচার করা হয়।
মেজর জিয়া কোন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন সামরিক আমলা। কিন্তু জাতির মহাক্রান্তিকালে কোলকাতা বেতারের প্রচারে করায় মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা জাতীয় রাজনৈতিক রূপ নেয়। তখনকার পরিস্থিতিতে এ ঘোষণার অপরিসীম প্রভাব ছিল। এ ঘোষণা পাকবাহিনী ও বঙ্গসেনাদের মধ্যে বিভাজন আনে করে। অবসরপ্রাপ্ত সেনাদেরসহ অনেককে যুদ্ধে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। বঙ্গসেনাদের প্রতীক হিসেবে মেজর জিয়ার এ ঘোষণা জাতিকে আশ্বস্থ ও বাড়তি সাহস জোগায় যে, আমাদের সেনারা আমাদের সাথে আছে।
মেজর জিয়ার ২৬-২৭শে মার্চের ‘স্বাধীনতা ঘোষণার’ মূলেও ছিল ঐতিহাসিক ৬ দফা, ৭ই মার্চের ভাষণ ও মুজিব নেতৃত্বের প্রভাব। বঙ্গবন্ধুর গ্রেপ্তার ও নিখোঁজ থাকা অবস্থায় নিজের স্ত্রী-সন্তানকে মৃত্যূর মুখে রেখে জাতির মহাদুঃসময়ে মেজর জিয়া জাতীয় মহাদায়িত্বপালন করেছেন। নাগরিক হিসেবেও স্বাধীনতার ঘোষণা করা যায়। তবে স্বাধীনতার ঘোষণার বাড়তি বৈধতার জন্যে নিজেকে বিপ্লবী সরকারের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করতে হয়। অতঃপর ১০ই ও ১৭ই এপ্রিলের স্বাধীনতা ঘোষণা ও সরকার গঠনকে সরল ও উদার মনে সমর্থন ও মেনে চলেন এবং সরকারের অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন। মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণায় স্বল্পসময়ে মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় ও গণযুদ্ধে রূপ নেয়।
মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণায় জাতি মহাউপকৃত। ১৯৭১ ছিল ৬ দফা জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ও চেতনায় (মুক্তিযুদ্ধের চেতনা) জাতীয় স্বাধীনতাযুদ্ধ। ঐক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনায় নিজ নিজ অবস্থানে থেকে ছাত্র-যুব-জাতীয় নেতাগণ দায়িত্ব পালন করেছেন জন্যেই ৯ মাসে দেশ দখলদারমুক্ত হয়েছে। তবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে মিথ্যাচার এবং ৬ দফার রাষ্ট্রদর্শন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, ৯৯% জনগণের জীবনদর্শন ও মানবাধিকারের পরিপন্থীতে রাষ্ট্র-পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সমাজতন্ত্রবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষবাদ যুক্ত হওয়ায় স্বাধীনতোত্তর জাতীয় রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়।
৪র্থ সংশোধনী, বঙ্গবন্ধুর অনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হওয়া ও বাকসাল গঠনে রাজনৈতিক বিপর্যয় হয়। স্বাধীনতোত্তর স্বৈরমুখী রাষ্ট্র-অবকাঠামো, স্বৈরমুখী প্রতিরক্ষা-কাঠামো ও স্বৈরমুখী সরকারব্যবস্থার জন্যেও রাজনৈতিক সংকট ক্রমবধর্মমান হওয়ায় বার বার রাজনৈতিক বিপর্যয় এবং জাতি পরষ্পর বিরোধী চেতনায় বিভাজিত হয়। এ থেকেই দলীয় চেতনায় নেতাসহ পরষ্পরকে অস্বীকৃতি ও অমূল্যায়নসহ মিথ্যাচার। নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণাসহ ও মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার ঐতিহাসিক সত্য। এ ঐতিহাসিক সত্যকে যারা অস্বীকার করে, তারা মিথ্যাবাদী, কৃতদাস ও কুকুর-বিড়াল।
No comments:
Post a Comment