অবিলম্বে পুর ভোট করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য নির্বাচন কমিশন
এই সময়: পঞ্চায়েত ভোটের মতোই পুর নির্বাচন নিয়েও রাজ্য সরকার বনাম রাজ্য নির্বাচন কমিশনের লড়াই শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়াল৷ অবিলম্বে ১৭টি পুরসভায় নির্বাচন করার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করেছে রাজ্য নির্বাচনকমিশন৷ ওই পিটিশনে নির্ধারিত সময়ে ভোট করার ব্যাপারে রাজ্য সরকার অসহযোগিতা করছে বলে কমিশন অভিযোগ জানিয়েছে৷ নির্ধারিত সময়ে ভোট না-হলে সাংবিধানিক সঙ্কট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে কমিশন এ ব্যাপারে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে৷ যে কোনও দিন বিচারপতি সৌমিত্র পালের এজলাসে মামলার শুনানি হবে বলে হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে৷
জুলাই মাসের ১৪ থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে ১৬টি পুরসভা এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ ফুরোচ্ছে৷ এই ১৭টির সঙ্গে হরিণঘাটা পুরসভার প্রথম নির্বাচনের দিনক্ষণ জানতে চেয়ে গত জানুয়ারি থেকে কমিশন ৫-৬টি চিঠি দিয়েছে সরকারকে৷ ২৮ জুন একদিনে ভোট করার ব্যাপারে সরকারের কাছে প্রস্তাবও পাঠায় কমিশন৷ তার প্রেক্ষিতে চলতি মাসের গোড়ায় সরকার চিঠি দিয়ে কমিশনকে জানায়, তারা এখন ভোট করতে চায় না৷ কমিশনের আইনজীবী লক্ষ্মীচাঁদ বিহানি বলেন, 'নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করা কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য৷ আবার আইন অনুযায়ী, কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে ভোটের দিন ও দফা ঠিক করবে রাজ্য৷ এ ক্ষেত্রে কমিশনের হাত-পা বাঁধা৷ রাজ্য নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না-চাওয়ায় যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তারই নিষ্পত্তি চেয়ে আমরা আদালতে গিয়েছি৷'
পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগেই জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার পুজোর পর ১৭টি পুরসভায় একদিনে ভোট করতে চায়৷ এই ১৭টি পুরসভার মধ্যে সাতটি কর্পোরেশন এলাকায় পড়বে বলে রাজ্য মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ পুর দপ্তরের এক কর্তা বলেন, 'এই সাতটির ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন বা সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু হয়েছে৷ এর পর হবে আসন সংরক্ষণের কাজ৷ গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে চার মাস সময় লাগবে৷ তার পর ভোট হবে৷'
তবে কমিশন আদালতে গেলেও পুরবোর্ডগুলির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনওমতেই ভোট করা সম্ভব নয়৷ কারণ, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর ভোট করতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগে৷ ফলে সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলিতে কাজ চালানোর জন্য প্রশাসক বসাতেই হবে রাজ্য সরকারকে৷ অন্যদিকে আদালতে মামলার ভবিষ্যত্ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে৷ কারণ, ২১ জুলাই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে মীরা পাণ্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে৷ তার মধ্যে আদালতে বিষয়টির নিষ্পত্তি না-হলে, মীরাদেবীর মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পর কমিশন মামলা অব্যাহত রাখবে কি না, সে ব্যাপারে সংশয় রয়েছে প্রশাসনিক মহলের একাংশের৷ এ ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছে কমিশনের ভূমিকা নিয়েও৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পাঁচ দফায় ভোট করার জন্য নির্দেশ দিলেও ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণে কমিশনই শেষ কথা বলবে কিনা, তা বলা ছিল না৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই মীরাদেবী যদি এ ব্যাপারে ফের আদালতে যেতেন, তা হলে হয়তো এই পরিস্থিতির উদ্ভব হত না৷
জুলাই মাসের ১৪ থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে ১৬টি পুরসভা এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ ফুরোচ্ছে৷ এই ১৭টির সঙ্গে হরিণঘাটা পুরসভার প্রথম নির্বাচনের দিনক্ষণ জানতে চেয়ে গত জানুয়ারি থেকে কমিশন ৫-৬টি চিঠি দিয়েছে সরকারকে৷ ২৮ জুন একদিনে ভোট করার ব্যাপারে সরকারের কাছে প্রস্তাবও পাঠায় কমিশন৷ তার প্রেক্ষিতে চলতি মাসের গোড়ায় সরকার চিঠি দিয়ে কমিশনকে জানায়, তারা এখন ভোট করতে চায় না৷ কমিশনের আইনজীবী লক্ষ্মীচাঁদ বিহানি বলেন, 'নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করা কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য৷ আবার আইন অনুযায়ী, কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করে ভোটের দিন ও দফা ঠিক করবে রাজ্য৷ এ ক্ষেত্রে কমিশনের হাত-পা বাঁধা৷ রাজ্য নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না-চাওয়ায় যে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তারই নিষ্পত্তি চেয়ে আমরা আদালতে গিয়েছি৷'
পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগেই জানিয়েছিলেন, রাজ্য সরকার পুজোর পর ১৭টি পুরসভায় একদিনে ভোট করতে চায়৷ এই ১৭টি পুরসভার মধ্যে সাতটি কর্পোরেশন এলাকায় পড়বে বলে রাজ্য মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ পুর দপ্তরের এক কর্তা বলেন, 'এই সাতটির ক্ষেত্রে ডিলিমিটেশন বা সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু হয়েছে৷ এর পর হবে আসন সংরক্ষণের কাজ৷ গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কমপক্ষে চার মাস সময় লাগবে৷ তার পর ভোট হবে৷'
তবে কমিশন আদালতে গেলেও পুরবোর্ডগুলির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে কোনওমতেই ভোট করা সম্ভব নয়৷ কারণ, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর ভোট করতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগে৷ ফলে সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলিতে কাজ চালানোর জন্য প্রশাসক বসাতেই হবে রাজ্য সরকারকে৷ অন্যদিকে আদালতে মামলার ভবিষ্যত্ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে৷ কারণ, ২১ জুলাই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে মীরা পাণ্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে৷ তার মধ্যে আদালতে বিষয়টির নিষ্পত্তি না-হলে, মীরাদেবীর মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পর কমিশন মামলা অব্যাহত রাখবে কি না, সে ব্যাপারে সংশয় রয়েছে প্রশাসনিক মহলের একাংশের৷ এ ব্যাপারে প্রশ্ন উঠেছে কমিশনের ভূমিকা নিয়েও৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পাঁচ দফায় ভোট করার জন্য নির্দেশ দিলেও ভোটের দিনক্ষণ নির্ধারণে কমিশনই শেষ কথা বলবে কিনা, তা বলা ছিল না৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই মীরাদেবী যদি এ ব্যাপারে ফের আদালতে যেতেন, তা হলে হয়তো এই পরিস্থিতির উদ্ভব হত না৷
No comments:
Post a Comment