Thursday, July 24, 2014

হেজাবিদের বোম্বেটে নীতি ও ইউরোপিয়ানদের প্রস্তাব

হেজাবিদের বোম্বেটে নীতি ও ইউরোপিয়ানদের প্রস্তাব
মুনতাসীর মামুন
বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চদশ রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হয়েছেন মার্শিয়া বার্নিকাট। সিনেটের শুনানিতে তিনি বলেন, ‘গত ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন নিঃসন্দেহে ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জরুরী ভিত্তিতে গঠনমূলক সংলাপে অংশগ্রহণ করা দরকার যা আরও প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে যাবে।’ [প্রথম আলো ১৯.৭.১৪]
আরেকটি বিষয়ে তিনি আলোকপাত করেছেন। ‘ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, রাজনৈতিক সহিংসতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ বিষয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি বাংলাদেশে জবাবদিহির প্রসার এবং মানবাধিকার ও গণতন্ত্র শক্তিশালী করার প্রচেষ্টাকে সহযোগিতা করতে কঠিন পরিশ্রম করব।’ [ঐ]
তার এই বক্তব্যে জামায়াত-বিএনপি খুশি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আওয়ামী জোট বা সরকার অখুশি। ইতোমধ্যে সরকারের দু’জন প্রভাবশালী মন্ত্রী এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আমাদের সুশীল সমাজ কোন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেনি। হয়ত নতুন রাষ্ট্রদূত আসার পর তার সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিক্রিয়া জানাবে। উল্লেখ ইসরাইলের চলমান শিশু ও নারী হত্যার বিষয়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের সমর্থনের নিন্দা জানিয়েও তারা কোন বক্তব্য দেয়নি। মানববন্ধনও করেনি।
মার্শিয়া যা বলেছেন তার শুনানিতে তা অবশ্যই মার্কিন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নির্বাচনের আগে ড্যান মজেনা এই নীতি কার্যকর করার জন্য প্রচুর দৌড়ঝাঁপ করেছেন। মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় আনার জন্য যারপরনাই তৎপর থেকেছেন তিনি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এতে, অনেকে আশ্চর্য হন। যেমন, বারাক ওবামা যে ভাবে ঠাণ্ডা মাথায় ইসরাইলের শিশু ও গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধকে সমর্থন করেছেন তাতে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তারা যদি ইতিহাস নাড়াচাড়া করতেন, তা’হলে দেখতেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বোম্বেটে কূটনীতির সমর্থক। যার অর্থ, মৌলজঙ্গীবাদীদের সমর্থন, স্বৈরাচারকে সমর্থন, যুদ্ধাপরাধ সমর্থন। মাঝে মাঝে ব্যতিক্রম যা দেখতে পান তা তারা বাধ্য হয়ে নিজ স্বার্থেই করে। ১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এই বোম্বেটে কূটনীতির তারা অনুসরণ করেছিল। বর্তমান যে নীতি সেটি তারই ধারাবাহিকতা। আমি আমেরিকার ইমানের প্রশংসা করি। তারা তাদের নীতি থেকে কখনও বিচ্যুত হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফিলিস্তিনে যা ঘটছে তার মৃদু প্রতিবাদ জানিয়েছে। অবাক হয়েছি, বরং ভারতীয় সংসদে সুষমা স্বরাজ থেকে প্রকাশ কারাত- একই সুরে এই যুদ্ধাপরাধের নিন্দা করেছেন কঠোর ভাষায়। বাংলাদেশের এক্ষেত্রে আরও সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল। লক্ষণীয় কোন পীরের দল, কোন ‘ইসলামী’ দল, বিএনপি-জামায়াত যারা এখানে ইসলামের স্বঘোষিত ঠিকাদার, তাদের মুরুব্বি সৌদি আরব এই যুদ্ধাপরাধের কোন বিরোধিতা করেনি, অথচ ধর্ম নিয়ে তাদের উপদেশ ও রাজনীতি দেশকে সঙ্কটের পথে নিয়ে যাচ্ছে। এ ধর্মব্যবসায়ী ভ-দের যারা সমর্থক ও পোষক তারাও ধর্মব্যবসায়ী ও ভ-। বাংলাদেশের ভাবা উচিত ১৯৭১ সালে কী ঘটেছিল। এখন কোন দেশে ১৯৭১ হলে সেটি সমর্থন করা জাতীয় কর্তব্য বলে মনে করি।
যাক, প্রসঙ্গ থেকে খানিকটা সরে গেছি। গত নির্বাচন নিয়ে অনেকের হা-হুতাশ এখনও যায়নি আমেরিকার মতো। বিষয়টি অন্যভাবে কেউ দেখার চেষ্টা করেননি। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন দিয়েছে। যার ইচ্ছে সে নির্বাচন করবে, যার ইচ্ছে করবে না। কে, কাকে নির্বাচনে নেবে? কোন দলই যদি নির্বাচন না করে, তা’হলে নির্বাচন হবে না, যারা ক্ষমতায় আছে তারাই থাকবে। সুশীল বাবুরা ও মজেনা যে অন্তর্ভুক্তমূলক নির্বাচনের কথা বলে তার অর্থ কী? কে, কাকে অন্তর্ভুক্ত করবে? আমাদের দেশে তো জঙ্গী মৌলবাদী এবং কমিউনিস্টরাও নির্বাচনে অধিকারী। আমেরিকায় ম্যাকার্নি আমলে কমিউনিস্ট বা লিবারেলদের কমিউনিস্ট আখ্যা দিয়ে কী করেছিল তা ইতিহাস পড়ে নিলেই চলে।
মন্ত্রীরা মার্শিয়ার বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ভাল করেছেন এতটুকু সাহস দেখিয়ে। তবে, তারা যদি ভাবেন, কূটনীতিবিদরা কূটনৈতিক আচরণ করছেন না, তবে সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিতে পারে, দিচ্ছে না কেন? আফ্রিকার অনেক অনুন্নত দেশে যেখানে জিডিপি ৬ ভাগ নয়, সেখানেও কূটনীতিবিদরা এমন আচরণ করেন না, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারতেও করেন না; বাংলাদেশে করেন। কারণ বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ও মিডিয়াকর্মীদের আত্মমর্যাদাবোধ কম। প্রতিটি দলের রাজনীতিবিদরা কোন না কোন সময় বিদেশী এসব কূটনীতিবিদের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন। দেশের অভ্যন্তরীণ সঙ্কট মোচনে। একজন কূটনীতিবিদ পেলেই মিডিয়াকর্মীরা তার সাক্ষাতকার নেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েন। কোন দেশে, আমি আবারও বলি কোন দেশের সাংবাদিকরা এ রকম আচরণ করেন না বাংলাদেশ ছাড়া। এর কারণ আমরা শিক্ষিত একটি সমাজ গড়ে তুলতে পারিনি। পরীক্ষা পাস একটি সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছি অবশ্য। আপনারা নিশ্চিত থাকেন, মার্শিয়া ঢাকায় পা দেয়ার পরপরই আমাদের সংবাদকর্মীরা তাকে এদেশের প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করবেন।
নির্বাচনের আগে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৎকালীন সরকারের প্রতি আমেরিকার মতো একই ধরনের নীতি গ্রহণ করেছিল। ইউরোপ সাধারণত আমেরিকার বিরুদ্ধে বিপাকে না পড়লে যায় না ধর্মগত ও বর্ণগত কারণে। তাদের মনোভঙ্গির জন্যই বিএনপি-জামায়াত প্রশ্রয় পেয়ে প্রায় একটি বছর বাংলাদেশে ভায়োলেন্স চালিয়ে কয়েক শ’ মানুষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যবৃন্দকে হত্যা করে, অনেককে আহত করে, দেশ ত্যাগে বাধ্য করে, জাতীয় সম্পদের ক্ষতি করে। এর দায়-দায়িত্ব আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেয়া উচিত, যা তারা নেয়নি। এখন মনে হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যে কোন কারণেই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে না বাংলাদেশ সম্পর্কে। ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রস্তাব ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য এর উদাহরণ।
ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত গিবসনও কিছুদিন আগেও ড্যান মজেনার মতো কথাবার্তা বলতেন। তবে ব্রিটিশ তো, তাই তার ভাষা ছিল সান্ধ্য ভাষার মতো; তবে মূল সুর ছিল শেখ হাসিনা বা তার সরকার ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করেননি।
শেখ হাসিনা কয়েকদিন আগে একটি সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রিটেন গেছেন। সেখানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে তাঁর একটি বৈঠক হয়। পত্রিকার প্রতিবেদনে ক্যামেরনের এতদিনের বাংলাদেশ পলিসির সঙ্গে সাম্প্রতিক বক্তব্যের কোন মিল নেই এবং ক্যামেরনের বক্তব্য শুনে মনে হলো, তিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবের আলোকেই বক্তব্য রেখেছেন।
ক্যামেরন বলেন, নির্বাচন অতীতের ব্যাপার। অর্থাৎ নির্বাচন নিয়ে এতদিন যে হৈচৈ করা হয়েছে তা নিয়ে এখন আর তাঁরা মাথা ঘামাতে চান না। সরকারের ডি জুর, ডি ফ্যাক্টো বৈধতা প্রমাণিত। এ আলোকে, খালেদা জিয়া ও বিএনপি যে বার বার ‘সরকার অবৈধ’ বলে যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা গ্রহণযোগ্য হবে না আন্তর্জাতিক পরিম-লে। ক্যামেরন আরও বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাজ্যের সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তবে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর আরও কিছু মন্তব্য এত ইতিবাচক যে আশ্চর্য হতে হয়। কেননা তাঁর রাষ্ট্রদূত গিবসনের মুখে এ ধরনের বক্তব্য শোনা যায়নি। পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের আগ্রহের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব মোঃ শহিদুল হক বলেন, তিনি বলেছেন নারীর উন্নয়ন, অব্যাহত ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি- এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছে, তা তিনি সরেজমিনে দেখতে চান। তিনি এও দেখতে চান, মৌলবাদী শক্তির চ্যালেঞ্জকে কিভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে।’ এ জন্য তিনি শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই কারণে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালকও ‘শেখ হাসিনাকে উদার ও প্রগতিশীল বিশ্বনেতার প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।’ [সমকাল, ২৩.৭.১৪]
কোন কোন ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতরা তা’হলে নির্বাচনের পরে বা এখনও মার্কিনী সুরে কথা বলছেন কেন? কারণ ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবটি তাঁরা হয়ত পড়েননি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় বলছিলেন, এখানে এবং বাইরে রাষ্ট্রদূত বা ঐ পর্যায়ের কয়েকজন যখন তাদের পুরনো ভাঙ্গা রেকর্ড চালাচ্ছিলেন তখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের পার্লামেন্টের প্রস্তাবটি তারা পড়েছেন কিনা জানতে চেয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, না, পড়েননি।
সেই ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ সালে, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রস্তাবটি পাস করে। অর্থাৎ নির্বাচনের পর পর। এবং তা ইউরোপ ও জাতিসংঘে প্রেরণ করে। প্রস্তাবে প্রাক নির্বাচনী জটিলতা কাটাবার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল তা বর্ণনা করে বলা হয়েছে। রুল অব প্রসিডিউরের ১২২(৫) এবং ১১০(৪) ধারা অনুযায়ী পার্লামেন্ট মনে করেÑ এই মনে করার ১৩টি ধাপ তারা উল্লেখ করেছে, যার মধ্যে কিছু ভুল-ভ্রান্তি বা যথাযথ পর্যবেক্ষণ রয়েছে এমনটি বলা যাবে না। তবে সামগ্রিকভাবে প্রস্তাবগুলো বর্তমান সরকারের পক্ষেই গেছে। যেমন-
এ. ৫ জানুয়ারি ২০১৪ সালে প্রাক্তন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শেখ হাসিনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করেন। শেষোক্ত মন্তব্য ভ্রান্তিমূলক কারণ ‘নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কোন ব্যবস্থা নয়। এটি ছিল অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা যা এদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিলোপ করেছে। অর্থাৎ ব্যবস্থাটি ‘রহঃবৎরস’ ছিল, ইউরোপীয়দের ভাষায় ‘ঃৎধফরঃরড়হধষ’ নয়।
বি. এই ধাপে তারা অনেক মন্তব্য করেছে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে। এগুলো হলো-
১. বলা হয়ে থাকে ২০১৩ সাল ছিল স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে সবচেয়ে সন্ত্রস্ত বছর [মোস্ট ভায়োলেন্ট ইয়ার]
২. প্রাক নির্বাচন এবং নির্বাচনী সময়ের বৈশিষ্ট্যÑ বিস্তৃত সন্ত্রাস, যার ভিত্তি ছিল অবরোধ, হরতাল এবং ভোটারকে হুমকি। এসবই করেছে বিরোধীদল
৩. এ কারণে নির্বাচনের দিন ১৮ জন ও ২০১৩ সালের শুরু থেকে ৩০০ জনের ওপর নিহত হয়েছেন
৪. এ কারণে বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে।
এখানে তারা উল্লেখ করতে ভুলে গেছে যে, বিরোধী অনেক দল বা আওয়ামী লীগ জোটভুক্ত এবং স্বতন্ত্র অনেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
সি. বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট নির্বাচন বয়কট করে। কারণ তাদের দাবি ছিল ‘ননপার্টি কেয়ারটেকার গবর্নমেন্ট।’
১. এর ফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অর্ধেকেরও বেশি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বীহীন নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং ভোটের হার ছিল কম
২. জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন সন্ত্রাসের কারণে ৩০০-এরও বেশি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করে
ডি. ঐতিহ্যগত বাংলাদেশের দু’টি দলের মধ্যে অবিশ্বাস বিদ্যমান এবং সমঝোতায় তারা অরাজি, যার কারণে গত দশকে বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে তা হুমকির সম্মুখীন
এরপর ইইউ এবং জাতিসংঘ যেসব আলোচনা করেছে সমঝোতার জন্য তা উল্লেখ করা হয়েছে
এইচ. বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও ‘ক্রেডিবেল’ হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকার শপথ নিয়েছে। ভোটের সংখ্যা খুবই কম। সরকারী হিসাবে ৪০ ভাগ, ঢাকায় অবস্থানরত কূটনীতিবিদদের হিসাবে ২০ ভাগ এবং বিরোধী প্রতিনিধিদের মতে আরও কম।

(চলবে)
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html

No comments:

Post a Comment