নিজেদের স্বার্থ বজায় রেখে সব দেশের সঙ্গেই সম্পর্ক রাখতে চাই
হিল্টন হোটেলে বাংলাদেশী সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার দেশের স্বার্থ বজায় রেখে যে কোন দেশের সঙ্গেই সর্ম্পক রাখতে চায়। তিনি বলেন, সব দেশের সঙ্গেই আমরা সর্ম্পক রাখতে চাই, তবে দেশের স্বার্থ বাদ দিয়ে নয়। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমস্যা থাকবে আমরা সেগুলো সমাধান করব। সমুদ্রসীমা মামলায় বিজয়ী হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সর্ম্পক অটুট থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রসীমা মামলায় আমরা জয়ী হয়েছি। বিশাল এলাকা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর সমুদ্রসীমা নিয়ে কিছু কাজ করা হয়েছিল। বিষয়টি কেবিনেটে পাস হয়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে এ ব্যাপারে কোন কাজ করেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ভাগ্য ভাল ২০০৮ সালে আমরা বিজয়ী হয়েছিলাম। না হলে আমাদের সমুদ্র বিজয় হতো না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া দেশে যে সরকারগুলো ছিল কেউ কি সমুদ্রসীমা দাবি করতে পেরেছিল? মামলা করতে সাহস পেয়েছিল। তাঁর সরকারই মিয়ানমার এবং ভারতের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেরেছি এ জন্যÑ আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন করেছি। যারা উড়ে এসে জুড়ে বসে তারা শুধু ভোগই করে। আমাদের তো এ সব দিকে লক্ষ্য নেই। আমাদের যা আছে তা নিয়েই আছি। জঙ্গল থেকে এসে এলিট হয়ে যাইনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার লন্ডনের হিল্টন হোটেলে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক এবং কলাম লেখক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহানাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। খবর বাসসর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশের জন্যই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। এই অনুভূতি সবার মধ্যে থাকার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাঁরা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন শুধু তাঁদের মধ্যেই আছে। ‘এত কাজ করার প্রেরণা কোথায় পান’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেখিয়ে বলেন, সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকলে সকল অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। তাঁর সরকার গত ৫ বছরে বিভিন্ন কর্মকা-ের মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতির পিতার এই ভাষণের মতো আর কোন ভাষণ দীর্ঘদিন ধরে আবেদন ধরে রাখতে পারেনি। এই ভাষণকে আর কেউ যাতে বিকৃত করতে না পারে সে জন্য এ ভাষণকে ডিজিটালাইজেশন করার পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে শেখ হাসিনা বলেন।
প্রবাসীদের ভোটার হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ডে ডুয়েল ভোটার ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই। যে যখন বাংলাদেশে যাবেন তখন ভোটার হতে পারবেন। তবে ভোটটা বাংলাদেশে অনুষ্ঠান নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু অসুবিধা আছে। তিনি বলেন, প্রবাসীরা ভোট দিক তা তিনি চান।
নারী শ্রমিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশু শ্রমিক এবং বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সবকিছুর জন্য দারিদ্র্যকে দায়ী করে তাঁর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, বাল্যবিয়ে আমাদের সকলের বিশেষ করে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি বড় ধরনের উদ্বেগ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমন্ত্রণে বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে বাংলাদেশের গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপসমূহ আন্তর্জাতিক পরিম-লে তুলে ধরার জন্য যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বে বাল্যবিবাহ রোধে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করতে যুক্তরাজ্য সরকার এই প্রথমবারের মতো গার্ল শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে।
ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে মঙ্গলবার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে তাঁর তিন দিনের সরকারী সফর শেষে বৃহস্পতিবার সকালে লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক আন্থনি লেকের আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন।
মঙ্গলবার ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিট-২০১৪ অনুষ্ঠানে তিনি ২০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গী সদস্যদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাংলাদেশে বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ইউরোপের কোন দেশে এটি ছিল শেখ হাসিনার প্রথম সফর।
প্রধানমন্ত্রী সামিটের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দেন এবং ওয়ালওর্থ একাডেমিতে বুর্কিনা ফাঁসোর ফার্স্টলেডি চাঁতাল কম্পাওর ও পাকিস্তানের বিশিষ্ট শিশু শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফ জাইয়ের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
‘ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন (এফজিএম)’ এবং জোরপূর্বক ও বাল্যবিবাহ বন্ধে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য সরকার ও ইউনিসেফ প্রথমবারের মতো এ সামিটের আয়োজন করে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে দ্বিপাক্ষিক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশিষ্ট বিভিন্ন বিষয় স্থান পায়।
এ ছাড়া সর্বদলীয় ব্রিটিশ সংসদীয় দল, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেসমন্ড সোয়েন, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক আন্থনি লেক, যুক্তরাজ্যের ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডগলাস আলেকজান্ডার, ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান কিথা ভাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর হোটেল স্যুটে সাক্ষাত করেন।
বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীসহ যুক্তরাজ্যে কর্মরত বাংলাদেশের কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক হোটেল স্যুটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
শেখ হাসিনা সোমবার সন্ধ্যায় লন্ডন হিলটন হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত ইফতার মাহফিল পূর্ব আলোচনায় ভাষণ দেন। তিনি বিবিসি ওয়ার্ল্ড রেডিও ও বিবিসি বাংলা সার্ভিসকে সাক্ষাতকার দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশের জন্যই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। এই অনুভূতি সবার মধ্যে থাকার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাঁরা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন শুধু তাঁদের মধ্যেই আছে। ‘এত কাজ করার প্রেরণা কোথায় পান’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দেখিয়ে বলেন, সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা এবং জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকলে সকল অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। তাঁর সরকার গত ৫ বছরে বিভিন্ন কর্মকা-ের মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতির পিতার এই ভাষণের মতো আর কোন ভাষণ দীর্ঘদিন ধরে আবেদন ধরে রাখতে পারেনি। এই ভাষণকে আর কেউ যাতে বিকৃত করতে না পারে সে জন্য এ ভাষণকে ডিজিটালাইজেশন করার পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে শেখ হাসিনা বলেন।
প্রবাসীদের ভোটার হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইংল্যান্ডে ডুয়েল ভোটার ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই। যে যখন বাংলাদেশে যাবেন তখন ভোটার হতে পারবেন। তবে ভোটটা বাংলাদেশে অনুষ্ঠান নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু অসুবিধা আছে। তিনি বলেন, প্রবাসীরা ভোট দিক তা তিনি চান।
নারী শ্রমিকদের বিশেষ করে নারী ও শিশু শ্রমিক এবং বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সবকিছুর জন্য দারিদ্র্যকে দায়ী করে তাঁর সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, বাল্যবিয়ে আমাদের সকলের বিশেষ করে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি বড় ধরনের উদ্বেগ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের আমন্ত্রণে বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে বাংলাদেশের গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপসমূহ আন্তর্জাতিক পরিম-লে তুলে ধরার জন্য যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বে বাল্যবিবাহ রোধে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করতে যুক্তরাজ্য সরকার এই প্রথমবারের মতো গার্ল শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে।
ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনে মঙ্গলবার এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে তাঁর তিন দিনের সরকারী সফর শেষে বৃহস্পতিবার সকালে লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ও ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক আন্থনি লেকের আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত গার্ল সামিটে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য সফর করেন।
মঙ্গলবার ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনে অনুষ্ঠিত গার্ল সামিট-২০১৪ অনুষ্ঠানে তিনি ২০ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গী সদস্যদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বাংলাদেশে বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ইউরোপের কোন দেশে এটি ছিল শেখ হাসিনার প্রথম সফর।
প্রধানমন্ত্রী সামিটের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগ দেন এবং ওয়ালওর্থ একাডেমিতে বুর্কিনা ফাঁসোর ফার্স্টলেডি চাঁতাল কম্পাওর ও পাকিস্তানের বিশিষ্ট শিশু শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফ জাইয়ের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
‘ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন (এফজিএম)’ এবং জোরপূর্বক ও বাল্যবিবাহ বন্ধে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য সরকার ও ইউনিসেফ প্রথমবারের মতো এ সামিটের আয়োজন করে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে দ্বিপাক্ষিক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশিষ্ট বিভিন্ন বিষয় স্থান পায়।
এ ছাড়া সর্বদলীয় ব্রিটিশ সংসদীয় দল, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ডেসমন্ড সোয়েন, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক আন্থনি লেক, যুক্তরাজ্যের ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডগলাস আলেকজান্ডার, ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের স্বরাষ্ট্রবিষয়ক নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান কিথা ভাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর হোটেল স্যুটে সাক্ষাত করেন।
বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীসহ যুক্তরাজ্যে কর্মরত বাংলাদেশের কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক হোটেল স্যুটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
শেখ হাসিনা সোমবার সন্ধ্যায় লন্ডন হিলটন হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত ইফতার মাহফিল পূর্ব আলোচনায় ভাষণ দেন। তিনি বিবিসি ওয়ার্ল্ড রেডিও ও বিবিসি বাংলা সার্ভিসকে সাক্ষাতকার দেন।

http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment