বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
মোরসালিন মিজান
আর মাত্র ক’টা দিন। তার পরই ঈদ। মহাআনন্দের উপলক্ষ। রাজধানী ঢাকা ইতোমধ্যে পরিণত হয়েছে উৎসবের নগরীতে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। বড় বড় মার্কেট শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাথ পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার দখলে। সব দেখে মনে হতে পারে এই শহর বেদনাহীন। কোন বিষ ব্যথা বেদনার অনুভূতি নেই মানুষের মনে। সকলেই আনন্দে ভাসছে। প্রস্তুতি নিচ্ছে ঈদের।
জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হবে চাঁদ দেখার কাজ। এদিন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার পালিত হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। দিনের শুরুটা হবে ঈদগাহ্ মাঠে। নতুন জামাকাপড় পরে সকালে ঘর থেকে বের হবেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। সে লক্ষ্যে প্রস্তুত হচ্ছে রাজধানীর ঈদগাহ্। প্রতিবারের মতো এবারও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রধান গন্তব্য হবে সুপ্রিমকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ্।
বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দুই লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুটের বিশাল আয়তনের মাঠজুড়ে বাঁশের অবকাঠামো। কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ। বাকি ২৫ শতাংশ কাজ আগামীকাল শনিবারের মধ্যে শেষ হবে। এবার এই মাঠে ৮৪ থেকে ৮৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। রাষ্ট্রপতিসহ ভিভিআইপিদের জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। পাশাপাশি নামাজ আদায় করতে পারবেন নারীরা।
এদিকে ঈদ মানেই ঘরমুখো মানুষের ভিড়। চাকরি ব্যবসা লেখাপড়া ইত্যাদি সূত্রে সারাবছর যাঁরা রাজধানীতে কাটান তাঁরা সপরিবারে ছুটছেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। আজকালের মধ্যে চাপ বেড়ে কয়েকগুণ হয়ে যাবে বলে ধারণা। তার আগে ট্রেন বাস লঞ্চের টিকেট হাতে পাওয়া চাই। চলছে সে যুদ্ধও। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মানুষ গিজ গিজ করছে। এখানে কোন রাতদিন নেই। সেহরি খেয়ে টিকেটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সোনার হরিণের দেখা মিলছে। কেউ কেউ সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকেও বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার দেয়া হচ্ছিল ২৮ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকেট। যিনি পাচ্ছিলেন, সঙ্গে সেঙ্গ চিৎকার। উচ্ছ্বাসে ফেটে পরছিলেন। তাঁদের একজন সুজন। বেসরকারী একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার যে আনন্দ সেটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এ জন্যই টিকেট হাতে পেয়ে নিজের অজান্তেই লাফিয়ে উঠেছিলাম। চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর টিকেট পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গাবতলীতেও এখন ঢাকা ছাড়ার তোড়জেড়। সব বাসের কাউন্টারে ভিড়। টিকেট সংগ্রহে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। গাবতলীর হানিফ কাউন্টারে কথা হয় আবদুস সুবহান নামের তরুণ স্কুল শিক্ষকের সঙ্গে। জানালেন, নববিবাহিত তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে প্রথমবার গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে চান। তবে টিকেট পাচ্ছেন না। কিভাবে কোথায় টিকেট পাওয়া যেতে পারে সে পরামর্শও চান তিনি।
সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায় জনশ্রোত। সকলেই লঞ্চের টিকেট সংগ্রহে ব্যস্ত।
সব দেখে অনুমান করা যায়, দেখতে দেখতে ফাঁকা হয়ে যাবে বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির শহর ঢাকা। ফাঁকা ঢাকায় চলবে অন্য রকম ঈদ উদ্যাপন। আপাতত সে অপেক্ষা।
জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হবে চাঁদ দেখার কাজ। এদিন শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার পালিত হবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। দিনের শুরুটা হবে ঈদগাহ্ মাঠে। নতুন জামাকাপড় পরে সকালে ঘর থেকে বের হবেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। সে লক্ষ্যে প্রস্তুত হচ্ছে রাজধানীর ঈদগাহ্। প্রতিবারের মতো এবারও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের প্রধান গন্তব্য হবে সুপ্রিমকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ্।
বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দুই লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুটের বিশাল আয়তনের মাঠজুড়ে বাঁশের অবকাঠামো। কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ। বাকি ২৫ শতাংশ কাজ আগামীকাল শনিবারের মধ্যে শেষ হবে। এবার এই মাঠে ৮৪ থেকে ৮৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। রাষ্ট্রপতিসহ ভিভিআইপিদের জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। পাশাপাশি নামাজ আদায় করতে পারবেন নারীরা।
এদিকে ঈদ মানেই ঘরমুখো মানুষের ভিড়। চাকরি ব্যবসা লেখাপড়া ইত্যাদি সূত্রে সারাবছর যাঁরা রাজধানীতে কাটান তাঁরা সপরিবারে ছুটছেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে। আজকালের মধ্যে চাপ বেড়ে কয়েকগুণ হয়ে যাবে বলে ধারণা। তার আগে ট্রেন বাস লঞ্চের টিকেট হাতে পাওয়া চাই। চলছে সে যুদ্ধও। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মানুষ গিজ গিজ করছে। এখানে কোন রাতদিন নেই। সেহরি খেয়ে টিকেটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর সোনার হরিণের দেখা মিলছে। কেউ কেউ সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকেও বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার দেয়া হচ্ছিল ২৮ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকেট। যিনি পাচ্ছিলেন, সঙ্গে সেঙ্গ চিৎকার। উচ্ছ্বাসে ফেটে পরছিলেন। তাঁদের একজন সুজন। বেসরকারী একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, ঈদে বাড়ি যাওয়ার যে আনন্দ সেটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এ জন্যই টিকেট হাতে পেয়ে নিজের অজান্তেই লাফিয়ে উঠেছিলাম। চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর টিকেট পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গাবতলীতেও এখন ঢাকা ছাড়ার তোড়জেড়। সব বাসের কাউন্টারে ভিড়। টিকেট সংগ্রহে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। গাবতলীর হানিফ কাউন্টারে কথা হয় আবদুস সুবহান নামের তরুণ স্কুল শিক্ষকের সঙ্গে। জানালেন, নববিবাহিত তিনি। স্ত্রীকে নিয়ে প্রথমবার গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে চান। তবে টিকেট পাচ্ছেন না। কিভাবে কোথায় টিকেট পাওয়া যেতে পারে সে পরামর্শও চান তিনি।
সদরঘাটে গিয়ে দেখা যায় জনশ্রোত। সকলেই লঞ্চের টিকেট সংগ্রহে ব্যস্ত।
সব দেখে অনুমান করা যায়, দেখতে দেখতে ফাঁকা হয়ে যাবে বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির শহর ঢাকা। ফাঁকা ঢাকায় চলবে অন্য রকম ঈদ উদ্যাপন। আপাতত সে অপেক্ষা।
http://www.allbanglanewspapers.com/janakantha.html
No comments:
Post a Comment